খুন, জখম, ভৌতিক উপদ্রব প্রভৃতি মশলা না মাখালেও মানুষের জীবন নিজগুণে রহস্যময়। রহস্য কখন ঘনাবে সে নিজেও জানতে পারে না। কিংবা কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে সে বদলাবে তা সে আগে থেকে টের পায় না। আর পায় না বলেই বদলে যাওয়ার সময়টুকু মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। ঠিক পথ বা ভুল পথ যা-ই বেছে নিক, বদলানোর সময়টাতে খানিকক্ষণের জন্য হলেও তার মধ্যে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়। ঠিক সেই সময়টা তার নিজের কাছে নিজের জীবন রহস্যময় হয়ে ওঠে। এই রহস্যময় ক্ষণগুলো জুড়ে তৈরি হয় জীবনরহস্যের গল্প।
পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, অসম, মণিপুর জুড়ে গড়ে-ওঠা জনজীবনের কিছু রহস্যঘন মুহূর্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে চোদ্দোটি গল্প। এইসব গল্প সময়ের সঙ্গে তাল রেখে চলেনি। ইতিহাস আর বর্তমান সব মিশে গেছে। জীবনের রহস্য গল্পের মূল বিষয়, তাই সময়ের দড়ি খুলে নেওয়া হয়েছে। সময় কখনও এগোবে, কখনও পিছোবে, আবার স্থির হয়ে থাকবে এক জায়গায়। সময়ের নড়াচড়া নিয়ে গল্পের চরিত্ররা মাথা ঘামায়নি। কারণ তাদের কাছে সময় একটাই
ইউনিট, তা হল নিজের জীবনটুকু। জীবন অনিশ্চিত, তাই সময়েরও নিশ্চয়তা নেই। জীবিত অবস্থায় তারা কিছু ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে কিংবা নিজেরাই জড়িয়ে পড়ছে সেইসব ঘটনায়। অভিজ্ঞতা থেকে বোধের জন্ম হচ্ছে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""