সহস্র নয়, একটিই সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান এই গ্রহের এক দুপেয়ে বানর প্রজাতি শিখে গিয়েছিল পরমাণুকে ভাঙতে। সে শিখে গিয়েছিল ভরকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে... প্রকৃতির দৃষ্টি-অতীত জাদু হয়ে গিয়েছিল তার করায়ত্ত। কিন্তু রিপুকে সে জয় করতে পারেনি। সভ্যতার উন্মত্ত আস্ফালন দুটি শহরকে মুছে দিয়েছিল তার ইতিহাস থেকে। বিজ্ঞানের সেদিন পরাজয় হয়েছিল।
কিন্তু শুধুমাত্র সেদিনই? বিজ্ঞানের কি আগেও পরাজয় হয়নি? যখন রক্তের বিশুদ্ধতার দোহাই দিয়ে বিজ্ঞানীদের দেশান্তরিত করা হয়েছিল বা বিশ্বযুদ্ধ থেমে যাওয়ার পর নীতিমালার মধ্যে লাল ফাঁসের মধ্যে পরমাণুর রহস্যকে বাঁধতে চেষ্টা করা হয়েছিল, তখন?
'বিশ্বাসঘাতকতার পরে'।
স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে যে কোন বিশ্বাসঘাতকতা? বাঙালি বিজ্ঞানপ্রেমী পাঠকেরা জানেন যে শ্রদ্ধেয় নারায়ণ সান্যাল মহাশয়ের লেখা 'বিশ্বাসঘাতক' বইটি জনপ্রিয় বিজ্ঞান গ্রন্থরাজির মধ্যে কোহিনূরসদৃশ। বর্তমান আলোচ্য গ্রন্থটি ম্যানহাটান প্রোজেক্টের পর থেকে শুরু করে সোভিয়েত রাশিয়ার চেরনোবিল দুর্ঘটনা পর্যন্ত একটি সফর।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""