আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে শ্রী সৌমক পোদ্দার ভারতীয় জনতা পার্টির প্রথম জাতীয় সম্মেলনে (ডিসেম্বর, ১৯৮০; সান্তানগর, মুম্বই) শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ঐতিহাসিক ভাষণের বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করতে চলেছেন। এই ভাষণটি সম্ভবত অটলজির রাজনৈতিক দর্শনের সর্বাধিক নিখুঁত ও গভীর রূপায়ণ-এবং সেই কারণেই এর পাঠ অপরি
করেন-যা একদিকে ভারতীয় জন সংঘের চিন্তাধারার উত্তরসূরী, অপরদিকে তা থেকে মৌলিকভাবে পৃথকও। তিনি সেই সমাজে গণতন্ত্রের মূলনীতিগুলিকে গুরুত্ব দেন, যেখানে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসমতা প্রকট। যদিও দ্বৈত সদস্যপদের মত একটি গৌণ বিষয়ে জনতা পার্টির বিভাজন তাঁকে ব্যথিত করেছিল, তবু তিনি কখনো ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা প্রতিহিংসার আবরণে বিচারে মগ্ন হষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন-জয়প্রকাশ নারায়ণের আদর্শই হবে বিজেপির পথপ্রদর্শক। জেপির অসমাপ্ত স্বপ্নগুলি পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।
এই প্রেক্ষিতেই তিনি "গান্ধীবাদী সমাজতন্ত্র" এর ব্যাখ্যা দেন, যা মার্ক্সীয় সমাজতন্ত্র থেকে কীভাবে পৃথক, সেই বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। গান্ধীজির মতে, মানুষ কেবলমাত্র এক অর্থনৈতিক জীব নয়, সে এক সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন নৈতিক সত্তা-এই বোধকেই ভিত্তি করে অটলজি বলেন, বিজেপি পুঁজিবাদ ও মার্ক্সবাদ-উভয়কেই প্রত্যাখ্যান করে। কারণ একটি সমতার পরিপন্থী, অপরটি স্বাধীনতার। তিনি বলেন, পুঁজিবাদ ও মার্ক্সবাদ উভয়ই কেন্দ্রীকরণের পথে ধাবিত করে-যা গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য অনভিপ্রেত। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, কেউ কেউ সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন বিজেপি আদৌ গান্ধীবাদী সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী কি না। অটলজি এই সংশয় দূর করে বলেন, বিজেপি একটি গণতান্ত্রিক দল-যেখানে মতবিনিময়ের মাধ্যমে নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
অটলজি ভাষণে কৃষকের দুর্দশা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""