সে এক ধূর্ত খুনি। কোন বাড়িতে একলা মহিলা থাকেন, সেই খবর তার নখদর্পণে। কখনও সে মডেলিং এজেন্সির 'মেজারিং ম্যান', আবার কখনও মেকানিকের সবুজ ইউনিফর্ম পরা 'গ্রিন ম্যান'। "আপনার ফিগার তো দারুণ, মডেলিং করবেন?" কিংবা "কেয়ারটেকার পাঠিয়েছে, আপনার বাথরুমের জলের লাইন নাকি লিক করেছে?"- এভাবে কথার জালে ফাঁসিয়ে ঘরে ঢুকতে সে ছিল ওস্তাদ। আর একবার ঘরে ঢুকতে পারলেই শিকার তার কবজায়-গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে, বাড়িঘর তছনছ করে উধাও হয়ে যেত সে। সবক্ষেত্রেই মৃতের ওপর বীভৎস যৌন নির্যাতন করত খুনি। খবরের কাগজ এই ধূর্ত খুনির নাম দিয়েছিল 'বস্টন স্ট্যাংলার'। কিউবার মিসাইল ক্রাইসিস কিংবা কেনেডি হত্যার মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে আলেঞ্জের সামনে ফেলে দিয়ে আমেরিকার সংবাদপত্রের প্রথম পৃষ্ঠা দখল করে নিয়েছিল খুনি। ১৯৬২-র জুন থেকে ১৯৬৪-র জানুয়ারির মধ্যে এগারোজন (অনেকের মতে তেরো, কিংবা আরও বেশি। নানা বয়সি মহিলাকে খুন করার পর পুলিশের হাতে ধরা পড়ল এক চিহ্নিত যৌন অপরাধী যার নাম অ্যালবার্ট ডি'সালভো। মানসিক হাসপাতালে আটক থাকাকালীন ডি'সালভো স্বীকার করল সে-ই বস্টন সুনাংলার। কিন্তু শ্রীলতাহানি, ধর্ষণ ও চুরির অভিযোগ থাকলেও অ্যালবার্ট ডি'সালভো কি সত্রিই বস্টন স্ট্র্যাংলার? নাকি তাকে খুনি বানানোর পিছনে প্রভাবশালী মহলের হাত ছিল? জেলের মধ্যে অ্যালবার্ট ডি'সালভোকে হত্যা করল কে? ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট কী বলছে? বস্টন স্ট্র্যাংলার সংক্রান্ত সব ধাঁধা নিয়ে বাংলায় প্রথমবার লেখা হল এ রকম একটি বই।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""