তারাশঙ্কর বন্ধোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পরেই আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয়তে লেখা হয়েছিল, দক্ষতায় বঙ্কিম, রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্রের পর তারাশঙ্করই চতুর্থ শিল্পী যিনি জীবনকে সিংহাসনে বসাতে পেরেছিলেন।
তাই তাঁর অভিধা দেওয়া হয় 'চতুর্থ সম্রাট'। যথাযথ। ৭৩ বছর আয়ুষ্কালে লিখে গেছেন-৬৫টি উপন্যাস; ৫৩টি গল্পের বই; ১২টি নাটক: ৪টি প্রবন্ধগ্রন্থ ও ৪টি আত্মকথা/ স্মৃতিকথা: ২টি ভ্রমণকথা ও ১টি কাব্য। পেয়েছেন- রবীন্দ্রপুরস্কার, সাহিত্য একাডেমী, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার ও পদ্মভূষণ সম্মান। এজন্য সমালোচক শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে 'বঙ্গ সরস্বতীর খাসতালুকের মণ্ডল প্রজা' বলেছিলেন।
বাল্যকাল থেকেই আমি বাবার কাছে তারাশঙ্কর ও তাঁর গল্প শুনেছি। আমি রাঢ়দেশের বাসিন্দা। আমার মামারবাড়ি বীরভূম রামপুরহাটে। তাই কোথাও আত্মিক টান অনুভব করতাম। সেই তারাশঙ্করের প্রয়াণে আমি ব্যথিত হয়ে এক নাতিদীর্ঘ কবিতা লিখি, যা কাজী নজরুলের 'ইন্দ্রপতন' কবিতার অনুসারী।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""