নমস্কার, বন্ধুরা
বিভার হাত ধরে আবার ইতিহাসের সরণিতে আপনাদের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছি আমি। শেষবার কোথায় দেখা হয়েছিল মনে আছে? 'মৌন মগধে এবং'-এর পাতায় পাতায়। ওহ, অনেকের ক্ষেত্রে আবার হয়তো এটাই প্রথম সাক্ষাৎ। তাঁদের বলি, আমি টুকটাক ঐতিহাসিক কাহিনি কিছু লিখি। উপরিউক্ত বইটা তেমনই একটা দস্তাবেজ, যেখানে মাননীয় প্রকাশক আমার কিছু কাহিনিকে যত্ন করে সাজিয়েছিলেন। 'মৌন মগধে এবং' আমার ইতিহাস-প্রিয়তাকে সিলমোহর দিয়েছে। পাঠকের কাছে পৌঁছে যেতে সাহায্য করেছে। আমি অগুনতি মেসেজ, ফোনকল পেয়েছি। তার জন্য আভূমি প্রণাম জানাই।
'মৌন মগধে এবং' পড়া আলাদা আলাদা পাঠকের একটি সাধারণ প্রশ্ন আমার দিকে ধেয়ে এসেছে একাধিকবার; বইটার দ্বিতীয় খণ্ড আসবে না? আমি ভীষণ দ্বিধায় পড়েছি। একটা তুচ্ছ গল্প সংকলন, তার দ্বিতীয় খণ্ড? গল্প তো সব শেষ করেই বসেছি আগের বইতে, কোথাও রেশ টেনে লেখার সুযোগ তো নেই আমার। তাহলে এমনটা বলছেন কেন প্রত্যেকে?
প্রকাশকের শরণে গেলাম। বললাম, "পাঠকে দ্বিতীয় খণ্ড চাইছেন।”
প্রকাশক পোকার ফেসড। মুখের ভাব সবসময়ই এক রাখেন। তিনি বললেন, "লিখে ফেলুন। পাঠকে চাইলে আমরাও সার্ভ করব।" আমি বললাম, "গল্পের বই। উপন্যাস তো নয় যে খণ্ডে খণ্ডে হবে।" প্রকাশক হার মানার পাত্র নন; "আপনি ব্র্যান্ড বানিয়েছেন পাঠকের মনে। মৌন মগধে কথাটা থাকলেই লোকে আপসে খুঁজে পড়বে। লিখুন তো মশাই। ইতিহাসের গল্পই তো লিখছেন, ডায়নোসরের তো নয়।"
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""