তোমার জন্য চুমুই থাক, আমার থাকুক নদী সহস্র বিকেল গন্ধে, বুক আমার দাহ হয় যদি। এতকিছু ভেবে নিয়ে, চলমান সাঁকোটির দেহ আমার অজয়ের কূলে, বহতা জীবনের লেহ। কী স্বাদ পড়ে আছে, গদ্য যাপিত ভাষার নামে বহুদিন হয়নি কথা, মৃগয়া চলছে ভেতর গানে।।
তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে, যদি পাই নিজেকে এ জীবন কামনা রইল, চুমু দেব বিবেকের নামে।
হারানো শৈশব কৈশোর পেড়িয়ে গ্রীষ্মের দুপুর এজীবন সব কিছু ফেলে রেখে, আকাশের সুর।
মেঠো নদী বিকাল পেড়িয়ে, শোনাবে ভালোবাসা গান বুকের সব কিছু মরে যায়, মরে না প্রেমের জাগান।।
জীবন নির্মাণের ভেতর এক আশ্চর্য সাধনা থাকে। সময়কে উতরিয়ে সে সাধনা একসময় গতি পায়। নানান রকমের সম্পর্ককে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে চলে যাপিত জীবনের ভেলা। আসলে সম্পর্কই যেন যাপিত জীবনের কাছে এক বড় সম্পদ ও সাধনা। সেই সম্পর্কের নানাবিধ ঐতিহাসিক লড়াই, ভালোবাসা, আত্মত্যাগ আর সময়কে নির্দিষ্ট করে সীমাবদ্ধ না করতে পেরে, নিজের মতো ভাংচুর করে নিয়ে অন্য সময়ের গণ্ডিতে এসে পৌঁছায়। কোনো এক বৃহত্তর মনের ক্রাইসিস নিয়ে। দু-ভাগে বিভক্ত এই উপন্যাসে কাহিনির ধাঁচে উপস্থাপন করা হয়েছে, চারশো বছরের পুরোনো দিনের ঋণী হওয়া মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারার এক বিশ্বস্ত পাঠ। এই দু-ভাগের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে রাঢ়ের প্রাচীন দুই নদী কুনুর, অজয়।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""