চল্লিশ বছর হয়ে গেল। ঠিক চল্লিশ বছর।
ধূ'রাজায় বাইপে, পঁচাত্তরতম স্বাধীনতা দিবসের দোরগেল, এজিপ বছর আগের প্রবীণ নিবনের কথা। ১৫ অগাস্ট, ১৯৮২। সেদিন দূরদর্শনে চালু হল ডিগ্রাহার। কেবল গ্রাসেলবিহীন সে জারাসায় জাতীয় প্রেসিডিশনে বলিয়াড়ি নিলেমার পালের নিয়ে এই দু'হাজার বাইপে এসে পতুন করে বলার কিছু নেই। বয় সেশাপার হয়েছে নানা বাধানে।
চিত্রায়ারের দিন গিয়েছে। তবে তার সূত্র ধরে চিন্তাত্রোর সূত্রে দেশ ঘরের পাশের দেশ শ্রীলঙ্কার দিকে। সেখানে আক্ষরিক অরেছি লন্থাকাও চলছে। সহকার বলে বিশেষ কিছু নেই, গ্রান প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী রপলবৎ বারে বলে ঘোরতর আপস্যায়। সেই পলাশরে বহুজনের লেখনীতে উঠে আসছে অতীতের সোনার পদ্মার স্মৃতিচারণ, শ্রীলঙ্কা সামণের অপূর্ব অভিজ্ঞতার বিবরণ। হিন্দু-বৌদ্ধ পরীর পরস্পরা, রামচন্দ্রের সেতুবন্ধন, আমিল অভিবাসন, সমাজ, রাজনীতি, বাণিজ্য ও সংস্কৃতিগত বাসা নিরিখে ভারত-শ্রীলঙ্কা যে সূরাটিন এবং অবিচ্ছেদ্য যোগসূত্র, তারও হরেক অলক বিভিন্ন রচনায়।
সুগভীর জ্ঞান ও মননশীলতায় ঋদ্ধ সে-সব রচনার মাঝে সাহস করে তুলে ধরছি একসঙ্গে চিত্রসারের যোগপুর পরে বোঝা যাবে। ঠিক সত্তর বছরের পুরনো পটিছড়া, যদিও ইন্টেলেকচুয়ালদের চোখে হয়তো মোটেই সংস্কৃতিবাদের পাতে দেওয়ার যোগ্য নয়। তা-ও, আমাদের কিশোরবেলায় যে শ্রীলঙ্কা মানেই রেডিও সিলোনা আর রেডিও সিলোন মানেই বিসাতো বীরমাল, হিন্দি জিল্মের নিত্যনতুন গরমাগরম সুপারহিট গানের ফোয়ারা, কিশোর পাতা-রফি-মুকেশ আশা, মায়া-হেমন্ত-জেন্ডদাসের কর্বর্তমাফিক। সঙ্গে আমিন সায়ানির হিপনোটিক, সুরেলা জয়েদ- তো বহেনো অউর ভাইছোঁ অব আ রত্রে শোর মায়াদেবালা উতো পানা, যো শিখলে হস্তেকে পন্দরা নাম্বারসে উছলকে আ পড়ে আট নাম্বারমে জি হাঁ দোছোঁ, শুনতে চলিয়েয়েছে রফি সাবকে গম আটির পার করি নগমে ফিল্ম হ্যায়য়য়, জায়ায়ায়ানিইইই দুশমননননন
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""