মানুষ কল্পনা করতে ভালোবাসে। ভালোবাসে সেই জগতে বিচরণ করতে।
সেইজন্য ঠাকুমা দিদিমার কাছে আমরা শুনি সোনার কাঠি-রূপোর কাঠি ছুঁইয়ে রাজকন্যার ঘুম থেকে উঠে বসার গল্প, তেপান্তরের মাঠের ব্যঙ্গমা-ব্যাঙ্গমীর গল্প, পক্ষীরাজের দৈহিক বর্ণনায় ঘোড়ার পিঠে ডানা গজায়।
আমরা কল্পনা করি আমরাই বোধহয় সেই রূপকথার রাজ্যের রাজপুত্র-রাজকন্যে। রাক্ষস-রাক্ষসীদের নিকেশ করে আমরা সুখে ঘরকন্না করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করি।
রবিঠাকুরের কবিতায় ছোট্ট খোকা কখনও একপাল ডাকাতের সঙ্গে যুদ্ধ করে জিতে যায়, কখনও চাঁপাফুল হয়ে মায়ের সঙ্গে লুকোচুরি খেলে, কখনও খোকা বাবার মতো বড়ো হয়ে যায়।
আমাদের বয়স বাড়ে, বয়োঃপ্রাপ্তিতে আমাদের জীবনযুদ্ধ শুরু হয়। কিন্তু কোথাও যেন ছোট্ট শিশুটি লুকিয়ে থাকে। কল্পনার জগতটা পাল্টে যায়- কিন্তু কল্পনা করার সুখ আমাদের ছেড়ে যায় না।
আমাদের অভিজ্ঞতা আমাদের কল্পনার জগতকে বহুধা বিস্তৃত করে দেয়।
পাঠকের চাহিদা লেখকের কলমের সৃষ্টির উৎস। তাই এই প্রাপ্তবয়স্কদের কল্পনার জগতকে বিভিন্ন ভাবে উসকে দিতে এই সংকলনের জন্ম।
এই বইয়ের পাতায় পাতায় আছে এমন সব গল্প, যেগুলো আলো আর অন্ধকারের মাঝামাঝি কোন এক জগতের।
ভুল সিদ্ধান্ত, লোভ, ভয়, কামনা, বন্ধুত্বের রঙিন মোড়কে ঈর্ষা কিংবা অচেনা ভয় আর ফিকে হয়ে আসা স্মৃতিরা মিলিয়ে তৈরি করে এক নিঃশব্দ অন্ধকার টানেল। তার বাইরে দাঁড়িয়ে শুধু আভাস পাওয়া যায় কিন্তু বোঝা যায় না অন্ধকার ঠিক কতটা গভীর।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""