কলকাতার একজন বিশিষ্ট অ্যন্টিক ব্যবসায়ী মিঃ থোদক অপহৃত হন। তিনি সেদিন ভুটানের বিপুতে যাচ্ছিলেন। কলকাতা এয়ারপোর্টে তাঁর সংগে পরিচয় হল একজন বৌদ্ধ সন্ধ্যানীর। সন্ন্যাসী মিঃ মোদকের সংগে কথা বলতে বলতে একসময় আনগজের প্রসঙ্গ তোলেন। মিঃ মোদক জানতে চান কোথায় সেই জায়গা। এরপরে পারোতে দেখে মিঃ মোদক থিম্পুতে চলে আসেন তাঁর কাজের জায়গায় এবং লেখানেই তিনি অপহৃত হন। অপহরণকারীরা তাঁর মুক্তিপণের জন্যে পাঁচ কোটি টাকা চায়।
অপহরণকারীরা বহুদিন ধরে তাঁর উপরে নজর রাখছিল। তিনি প্রতিমাসেই থিম্পু, পারো ইত্যাদি জায়গায় আসেন। এসব অঞ্চল নানা দুর্গও অ্যান্টিক জিনিসপত্র কিনে কলকাতায় বিক্রী করেন। এই কাজে সাহায্য করে তার ভাই এবং স্ত্রী। পাচারকারীদের কাছে খবর ছিল মিঃ মোদক দুর্লভ একটি জিনিসের সন্ধান পেয়েছেন। যার দাম কোটি কোটি টাকা। পাচারকারীদের লক্ষ্য ছিল সেটা হস্তগত করা। এর পিছনে একজন ব্যক্তির হাত রয়েছে, সেটা শেষ অবধি অপেক্ষা করলে জানা যাবে। স্বামীর অপহরণের পরে স্ত্রী রুমেলা কলকাতার একজন বিশিষ্ট গোয়েন্দা তমসের শরণাপন্ন হল।
অপহরণকারীরা শেষ পর্যন্ত ভদ্রলোককে কোথায় নিয়ে গেল, কীভাবে তিনি উদ্ধার পেলেন সেটাই রহস্যের।
ভদ্রলোক কি আদৌ সেই জ্ঞানগঞ্জের সন্ধান পেলেন সেটাই উপন্যাসে বিধৃত হয়েছে। কীভাবে তমস এই জটীল রহস্যের সমাধান করলেন সেটাও সুন্দরভাবে আলোচিত হয়েছে। ভুটানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনার পাশাপাশি তমস তদন্ত করে বের করলেন অপহৃত লোকটিকে। সেই সঙ্গে ধরা পড়ল পাচারকারীরা।
আদ্যন্ত রোমাঞ্চকর থ্রিলারধর্মী এই উপন্যাস।
রহস্যে মোড়া প্রতিটি অধ্যায়।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""