সময়-ই এই আখ্যানের কুশীলব। সময় নিজেই বলে চলে তার গল্প।
জীবনের উজান পথে এগিয়ে চলা যুবক জিষ্ণু, ভাটির টানে এসে দাঁড়ায় গ্রামের ধুলো মাখা পথে। আর ঝলমলে জার্মানির বদলে জিষ্ণু এসে পৌঁছায় বিবর্ণ গ্রামের বাড়িতে। এই অমোঘ যাত্রা তাকে সন্ধান দেয় এক বৃহত্তর ক্যানভাসের। পথের ধুলোই ক্রমে হয়ে উঠে সময়ের ধুলো। মহাকালের উত্তরাধিকার। সময় যত এগোয়, ধুলোর স্তর সরে সরে যায়। একে একে বেরিয়ে আসে তার মন কেমনিয়া ছেলেবেলা, প্রচ্ছন্ন প্রেম, ঈর্ষা, কলহ, দ্বেষ সহ মানব জমিনের অমসৃন কিছু নুড়ি পাথর। এই সব কিছু কে সঙ্গী করেই সময় এগিয়ে চলে। সংস্কার কে বয়ে নিয়ে চলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।
তার পর একদিন অশীতিপর বৃদ্ধা গল্প শোনায় অজানা ইতিহাসের। সময় নিজেই এসে দাঁড়ায় এক সত্য-সংকটের মুখোমুখি।
সময়ের পর্দা সরে যায়, যখন বিভ্রান্ত জিষ্ণু খুঁজে পায় তার ঠাকুরদার রেখে যাওয়া ইতিহাসের কিছু দলিল। অতীত আর বর্তমান তখন মুখোমুখি হয়। তখন প্রচলিত ইতিহাস অতিক্রম করে উঠে আসে এক অচেনা সত্য। এক অমোঘ প্রশ্ন। সুতো কাটা চরকা, না শয়তানের বুক বিদীর্ণ করা পিস্তল- কার কথা মনে রাখবে জাতির উত্তরাধিকারীরা?
এই সত্যের খোঁজ-ই হয়ে উঠুক
প্রজন্মান্তরের উত্তরাধিকার।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""