১৭০৯ সাল। বাদশাহ আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দুই বছর অতিক্রান্ত। ব্রহ্মহ্মপুত্র নদীর দুপাশে উর্বর ভূমির প্রায় পুরোটা শাসন করছেন রাজা রুদ্রসিংহ। রাজ্যের নাম আহোম। উত্তরের উজানি আহোম আর দক্ষিণের নামনি আহোমের মধ্যে দূরত্ব অনেকটা। দূরত্বের সুযোগ নিয়ে নামনি আহোমের কামরূপ নগরকে কেন্দ্র করে এক পৃথক শাসনতন্ত্র গড়ে উঠেছে বড়ফুকনদের নেতৃত্বে যার ওপর সরাসরি কর্তৃত্ব করা রুদ্রসিংহের মত দাপুটে রাজার পক্ষেও সম্ভবপর হয় না। কামরূপের হাজো অঞ্চলে মাঝে মাঝে মুঘল সৈন্য ঘাঁটি গাড়ে। রাজধানী রঙপুরে সব খবর ঠিকঠাক পৌঁছায় না ।মুঘল আক্রমণের মোকাবিলা করতে আশেপাশের রাজ্যগুলোর সাহায্য প্রয়োজন। রাজা রুদ্রসিংহ, প্রতিবেশী ত্রিপুর দেশে দূত পাঠাবেন। দূতদের ওপর নির্দেশ তাঁরা যেন গোপনীয়তা বজায় রাখেন। তিন দূত রওনা দেবেন তিন ভিন্ন স্থান থেকে। শ্রীহট্টে মিলিত হবেন তাঁরা। এরপর ত্রিপুর দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা। এত গোপনীয়তা সত্বেও এক বিশেষ ব্যক্তি এই তিন দূতের গতিবিধির অপর নজর রাখছেন। সন্দেহভাজনের তালিকায় থাকলেও রাজা এই বিশেষ লোকটিকে কারাবন্দী করতে চাইছেন না কারণ রাজার বহুদিনের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে চলেছেন সেই ব্যক্তি। কী করবেন রাজা রুদ্রসিংহ। সেই সন্দেহভাজনের উদ্দেশ্যই বা কী? তিন দূত কী শ্রীহট্টে আদৌ মিলিত হবেন। আজ থেকে প্রায় তিনশ বছর আগের মাত্র মাস ছয়েকের ঘটনা নিয়ে আসাম, ত্রিপুরা আর অবিভক্ত বাংলার এক পটভূমি।।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""