প্রাক-শরতের স্নিগ্ধ সকাল। প্রকৃতি আজ রঙে রসে টইটম্বুর। কেউ যেন সবুজের উপর বার্নিশ বুলিয়ে দিয়েছে। ভোরের দিকে এক পশলা বৃষ্টি হওয়ায় আকাশ যেমন গাঢ় নীল, প্রকৃতি তেমনই নরম সবুজ। সেই সবুজের বুক চিরে কালো কুচকুচে পিচের রাস্তা চারদিক থেকে এসে মিশেছে এখানে। ক্যানেলের এই ব্রিজটার কাছে ছোটো ছোট কিছু দোকানপাট। এই রাস্তাগুলিই রোজ সকালে চারদিক থেকে চার রকমের খবর বয়ে এনে জড়ো করে। একটি রাস্তা শ্যামবাটির দিক থেকে গড়াতে গড়াতে এসে বৃষ্টিপুষ্ট আঁটোসাঁটো ক্যানেলের বুকের উপর দিয়ে ঝুপ করে একটা ঝাঁপ দিয়ে ফের একই গতিপথে গড়াতে গড়াতে চলে যাচ্ছে গোয়ালপাড়ার দিকে। তার যেন আজ ভীষণ তাড়া।
অন্য একটি রাস্তা ক্যানেলের গায়ে গা লাগিয়ে পূর্বদিকে মুখ করে অলস পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রান্তিক স্টেশনের দিকে। ওর কোনো তাড়া নেই।
আর ঠিক এর উল্টো দিকের রাস্তাটি দু-দিক থেকে ঝুঁকে আসা সোনাঝুড়ি গাছের মায়া জড়িয়ে এখনও ঘুমিয়ে আছে। এ রাস্তাটিই পশ্চিম দিকে কিছুদূর এগিয়ে মিশেছে খোয়াইয়ের বনে।
অবশ্য এখন এ বনের পরিচিতি অন্য নামে। সোনাঝুড়ির হাট। আরও আগে অন্য নাম ছিল, ভাঙাখাল। স্থানীয়রা তখন ঐ নামেই চিনতো জায়গাটি। তখন তো আর এ জায়গা পর্যটন মানচিত্রে আসেনি। তাই নাম অতো গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""