অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধ। চব্বিশ পরগণার এক বর্ধিষ্ণু গ্রামাঞ্চল।
অন্ত্যজ ও দলিত মানুষের বসবাস। এক বৈরাগীর মনে প্রশ্ন জাগিয়ে দেন তাঁর গোঁসাই গুরু। কেন যবন হরিদাসের প্রামাণ্য জীবনী নেই? কেনই বা গৌড়ে তিনি আর এলেন না। তবে কি চৈতন্যর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর জাতিনিরপেক্ষ বৈষ্ণব ধর্ম মোড় ঘুরিয়ে ফিরে গেছে ব্রাহ্মণ্যতন্ত্রে? এক অন্ত্যজ জনগণের গুরু একথা যত হৃদয় দিয়ে অনুভব করবেন ব্রাহ্মণ গোস্বামী তা তো করবেন না। বরং তিনি এর বিরোধিতা করবেন। হরিদাস ঠাকুরের জীবনী পুনর্নির্মাণের মধ্যে দিয়ে চৈতন্য প্রবর্তিত উদার সমাজকে খুঁজে দেখতে চেয়েছেন এক তরুণ বৈরাগী, ঘনশ্যাম দাস। সমসময়ে নানা সংস্কার আন্দোলন দানা বাঁধছে। ঘনশ্যাম দাস দেখছেন। অনুভব করছেন। দরিদ্রের জাতি নাই কুল নাই, নিজের অস্তিত্বকে সে ভেতরে লালন করে। ফকির বাউল বৈষ্ণব সহজিয়া যে পথে নিজেকে পায় সেইই পথ। মহাজন যে পথে যান সে পথ কেউ অনুসরণ করতে পারে না।
এ কাহিনী সেই পুনর্নির্মাণের প্রয়াস মাত্র।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""