দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত বাংলা জুড়ে ছড়িয়ে আছে এমনকিছু মন্দির যে সমস্ত স্থানের পুরোহিতরা হলেন অব্রাহ্মণ। এঁদের মাধ্যমে ওইসব মন্দিরে পুজো দেন তথাকথিত বর্ণহিন্দু মানুষেরা, এমন কী ব্রাহ্মণরাও। এছাড়া এই অঞ্চলের অসংখ্য 'থান'ও তাদের আচার সংস্কার আর অব্রাহ্মণ পুরোহিত নিয়ে মিশে গেছে এই তথাকথিত বর্ণহিন্দুদের ঐতিহ্যে।
আমাদের এই ভারতীয় সমাজ হল
জাতিভেদ ভিত্তিক সমাজ। এখানে
'ছোটো জাত' 'বড়ো জাতে'র তকমায়
বারবার বিধ্বস্ত হয় মানুষের অস্তিত্ব। জাত এবং ধর্মই হল সংস্কারচ্ছন্ন ভারতীয়দের নিয়ন্ত্রক। তাই ভাবতে অবাক লাগে জাত সচেতন ভারতীয়দের সঙ্গে কী অদ্ভুতভাবে একাত্ম হয়ে গেছে তথাকথিত নিম্নবর্ণের মানুষদের আঞ্চলিক পুজো ও অব্রাহ্মণ পুরোহিতরা। আসলে এই নিয়ে কাজ করতে গেলে, এর শিকড় অনুসন্ধান করলে স্পষ্ট হয়ে যায় জাত এবং ধর্ম বাহ্যিক ব্যাপার মাত্র। বর্ণহিন্দুর ঐতিহ্যে আঞ্চলিক পুজো ও অব্রাহ্মণ পুরোহিত প্রবাহিত হয়ে চলেছে ক্রমবিবর্তনের রাস্তায়। লোকমানসের লোকঐতিহ্য তো এইভাবেই ক্রমপ্রবাহিত। এই শিকড় অনুসন্ধান আদপে আত্মানুসন্ধান।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""