ঋ আর তার দিদি অপাবৃতার আবদারমতো বেঙ্গালুরুর আর.টি. নগরে এসেছে নীল। ট্রেনে আসবার সময়ে মি. তিলক নীলকে তার মনিব মিঃ চৌধুরীর প্রাণ সংশয়ের কথা জানান। মি. চৌধুরি নীলকে জানান ক-দিন ধরে কারা যেন তাকে ফলো করছে। তিনি নীলকে তার ভিলায়। আসতে বলেন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট মতো নীল পরদিন সেখানে গিয়ে প্রথমে জানতে পারল যে গতরাত্রে মিসেস চৌধুরীকে হাত-পা-মুখ বেঁধে ফেলে রেখে কে বা কারা যেন মি. চৌধুরীকে অপহরণ করেছে। পরে পাশের পার্কে মি. চৌধুরির মৃতদেহ গেল পাওয়া। পাশে রাখা একটা অশনি MK 2 পিস্তল। পিস্তলে হাতের ছাপ পাওয়া গেল চৌধুরীর মেয়ে রক্তিমার। ঘটনার তদন্তে উঠে এল বর্ধমানে ঘটে যাওয়া পুরোনো একটা কেস। পরে চৌধুরীদের ভিলাতেই আরও একজনের লাশ পাওয়া গেল যাকে অদ্ভুতভাবে মরে যাওয়ার পর গুলি করা হয়েছিল! সেখানেও রাখা ছিল আরেকটা অশনি MK 2 পিস্তল। তাহলে কে খুন করল মি. চৌধুরীকে? ওই অন্য মৃতদেহটাই-বা কার যার দেহে মরবার পর গুলি করা হয়েছিল? বর্ধমানেই-বা কী ঘটেছিল? রক্তিমাই কি তার পালিত বাবার খুনি? না কি অন্য কেউ?
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""