একটানা দু-তিন পাতার বেশি পড়াই যায় না উপন্যাসটা। পড়তে দিয়ে দেখি জীবনানন্দ নিজেকেই লিখে গেছেন, আজীবন। তাঁর অস্তিত্ববাদী গদ্যশরীরেয় লীন হয়ে পড়ি অচিরেই। নিজেকে সাধুবাদ জানাই উত্তর-চল্লিশের আগে এই উপন্যাস না- পড়ার
জন্য। আলো দেখতে পাই না আমি। পুঞ্জীভূত অন্তকার। মেথ ডুতে আসে ঘরের ভিতর। তখন যেন মেঘ মাধ্য-আলোও আসে কিছুটা বিব্রতভাবে। ছোটো ঘর। বসতে দিই কোথায়। অথচ এখন তো সৌজন্যে অভ্যস্ত আনি, নিজের সঙ্গে দেখা হলে 'ভালো তো?' বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়া বহু বছর যাতে বিব্রতবোধ না ফোটে জলের আয়নায়, তবু যে অনাহুত আলো প্রবেশ তরে সহসা স্পশ করে প্রত্নশবের মর্ম, তাকে কি না বলা যায়? দেরি হয়ে যায় আমার, বৃষ্টি নামে... আবার।
মাল্যবান outsider। তাই নাল্যবানকে এঁটো টেবিলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়তে দেখলেও মাল্যবানকে জাগিয়ে দেওয়া উচিত মনে করে না তার স্ত্রী উৎপলা নিজে মশারি ফেলে শুয়ে পড়ে বিছানায়। মাল্যবানের জীবনযাপনে আধুনিক মানুষের একাকিত্ব, বিষাদ ও জীবনের অর্থহীনতা গভীরভাবে প্রোথিত। বিপ্লবের আদর্শে মহীয়ানের তৃত্তি বা আধ্যাত্থিত পৃষ্টির মাধ্যমে ছা-পোষা মানুষের সন্তষ্টি মাল্যবানরা পায় না, পাবে না কোনোদিন।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""