মানুষের মৃত্যু পরবর্তী অস্তিত্ব সর্বদা 'আছে' এবং 'নেই'-এর একটি ধূসর সীমারেখায় অবস্থান করে। মানুষের মৃত্যু পরবর্তী সত্ত্বা কি প্রভাব ফেলতে পারে তাঁর খুব কাছের জনের জীবনে? পূর্ব জন্মের ছায়া কি আচ্ছন্ন করতে পারে বর্তমানকে? সাধারণের পক্ষে প্রত্যক্ষ ভাবে দেবীর আশীর্বাদ পাওয়া কি সম্ভব? সত্যিই পুণ্য অথবা পাপের কোনো অস্তিত্ব রয়েছে কি? কিছু চরিত্রের মেলবন্ধনে এমনই কিছু প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা 'কায়াহীনের কথা'।
এক বর্ষণ মুখর সন্ধ্যায় মিমি শিহরিত হয় অতীতের অলৌকিক ঘটনার স্মরণে। কার ডাকে সাড়া দিয়েছিল মিমি! দৈনন্দিন জীবনের সমস্যায় রণজয় যখন দিশাহারা তখনই তাঁর জীবনে নেমে আসে দেবীর আশীর্বাদ। আমরাও কি পারি না এইভাবে দেবীর আশীর্বাদ ধন্য হতে! টুকুর জীবনে পরলোকের ছায়া পড়ে। ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটনা ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র যেন তার কাছে চেনা। হয়তো এমন অনেক সময়ের সাক্ষী আমরাও, যখন আমাদের মনে হয়েছে আমাদের আশেপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি অনেক পরচিত, যার পোশাকি নাম 'দেজাভু'। কেন হয় এমন! অলৌকিকতা, পরজন্মবাদ, দৈবী অনুগ্রহ, মনস্তত্ত্ব এই সবেরই মেলবন্ধন 'কায়াহীনের কথা'। পাঠক, চলুন পাড়ি দেওয়া যাক এক কুয়াশাবৃত স্বপ্ন-রাজ্যে। কুয়াশার স্তর ভেঙে একবার দেখাই যাক না কী রয়েছে তার আড়ালে!
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""