'কলকাতার বিবর্তনে পাইকপাড়ার অবদান' এক অর্থে আঞ্চলিক ইতিহাস হলেও, প্রকৃতপক্ষে এটি বাঙালির নবজাগরণ ও আধুনিক কলকাতার আত্মপরিচয়ের এক গভীর অনুসন্ধান। 'বৃহত্তর পাইকপাড়া' শব্দবন্ধের মধ্য দিয়ে লেখক কেবল একটি ভূখণ্ড নয়, বরং উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে গড়ে ওঠা এক বিস্তৃত সাংস্কৃতিক-সামাজিক কেন্দ্রকে চিহ্নিত করেছেন। টালা, পাইকপাড়া, চিৎপুর, কাশীপুর, দত্তবাগান, সিঁথি ও বেলগাছিয়া-এই অঞ্চলগুলিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজচেতনা ও রাজনৈতিক আন্দোলনের ধারাবাহিক ইতিহাস বইটির মূল সম্পদ।
১৮২৩ থেকে ১৯৫০-এই দীর্ঘ সময়কাল জুড়ে সংগৃহীত তথ্য, পুরোনো দলিল ও বিস্মৃত লেখার ভিত্তিতে রচিত দুই খণ্ড বিশিষ্ট এই গ্রন্থের প্রথম খণ্ডে দেখানো হয়েছে, কীভাবে কলকাতা যদি ভারতের রাজধানী হয়ে ওঠে, তবে বৃহত্তর পাইকপাড়া ছিল তার অন্যতম গোমুখ। আঞ্চলিক ইতিহাসের আড়ালে এখানে ধরা পড়ে কলকাতারই জীবন্ত আত্মকথা।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""