সাতটি উপন্যাস নিয়ে এই বই। বলার অপেক্ষা রাখে না যে রহস্যজনক এক বা একাধিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে প্রতিটি উপন্যাস। যেহেতু সুমনকল্যাণের স্ত্রী সুকল্পাও একজন প্রতিষ্ঠিত গোয়েন্দা, তাই অনেকক্ষেত্রেই আমরা দেখব রহস্য উন্মোচনে সুকল্লা সুমনকল্যাণকে সঙ্গ দিয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে সুকল্লা নিজেই করে ফেলেছেন রহস্যের উন্মোচন। দু'একটি ক্ষেত্রে সুমনকল্যাণের বাল্যবন্ধু অরিজিৎ এগিয়ে এসেছেন।
উপন্যাসগুলোতে রহস্যজনক ঘটনার পটভূমি আলাদা। শেষ উপন্যাসে কোনো পটভূমির নামের উল্লেখ নেই। গল্পের এক চরিত্রকে সুমনকল্যাণ বলেছেন তাঁর বাড়ি চরিত্রের দোকান থেকে তিন-চারটে স্টেশন পরে।
সুমনের সেই বাড়ি তাঁর নিজের বাড়ি নাও হতে পারে, অথবা তিনি সদুদ্দেশ্যে মিথ্যেও বলে থাকতে পারেন, সর্বোপরি সুমনের এবং তাঁর স্ত্রী সুকল্পার আসল পরিচয়ের মধ্যেও রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে। সুমনকল্যাণ হাঁটেন অনেক অসহায় মানুষের আকাঙ্ক্ষা দিয়ে তৈরি পথ ধরে।
এই বইয়ে কখনো অসহায় মা-বাবাকে, কখনো অসহায় মেয়েকে বা ছেলেকে, কখনো অসহায় বোনকে সুমনকল্যাণের সাহায্যপ্রার্থী হতে দেখা গেছে। কখনো অসহায় তৃতীয় ব্যক্তিও তাঁর সাহায্যপ্রার্থী হয়েছেন। কেউ অন্যকে অপরাধী মেনে সুবিচার চেয়েছেন, কেউ নিজেকে নিরপরাধ মেনে সুবিচার চেয়েছেন। যা-ই হোক, সুবিচারের দাবি উঠেছে সবখানেই।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""