গরীবের রবিন হুড অর্থাৎ এক জনদরদী মন্ত্রী তথাগত সান্যাল নৃশংস ভাবে খুন হন নিজের বাসভবনে। সেই খুনের রহস্যের কিনারা হওয়ার আগেই একের পর এক খুন হয়ে যেতে থাকেন সমাজের বেশ কিছু জনদরদী মানুষ। পুলিশী ব্যর্থতা আর রাজনৈতিক কচকাচনির মাঝেই এই সব খুনের দায় স্বীকার করে নেয় চারজন খুনি। তার মাঝেই আবার অন্যদিকে খুন হয়ে যায় ধিতার নিরীহ খেটে খাওয়া ল্যাব টেকনিশিয়ান দাদা। শোকের আবহে দিন কাটে ধিতা ও তার পরিবারের।
কর্মসূত্রে ধিতা একজন অন্যায়ের সাথে সন্ধি না করা দৈনিক 'ন্যায্য কথা'র সাংবাদিক। সংবাদ সংগ্রহের কৌশলে তার হাতে আসে খুনিদের খুনের লম্বা তালিকা, আর তাতেই উঠে আসে একাধিক নামী দামী নেতা মন্ত্রীর নাম। কিন্তু ধিতা সেই তালিকায় খুঁজে পায় আরও এক চমকপ্রদ নাম, পাগলা বিজ্ঞানী। প্রায় একই সময়ে বিদেশে খুন হয়েছেন এক আত্মভোলা, নিরীহ প্রবাসী ভারতীয় বিজ্ঞানী, যিনি পাগলা বিজ্ঞানী নামেই অধিক পরিচিত।
'ন্যায্য কথা'র কর্ণধার রমেশ চ্যাটার্জির নির্দেশে ও সহযোগিতায় পাগলা বিজ্ঞানীর খুনের রহস্য উন্মোচন করতে কোনোদিনও কলকাতার বাইরে পা না রাখা ধিতা পাড়ি দেয় তার প্রিয়তম গোয়েন্দা শার্লক হোমসের শহরে, সেখানে গিয়ে ধিতা জানতে পারে দেশের মাটিতে ঘটতে থাকা একাধিক নৃশংস ঘটনার সাথে জড়িত ও এক সুতোয় বাঁধা বহুমুখী কালো চক্রের কথা। কিন্তু কে বা কারা আছে এই কালো চক্রের আড়ালে!
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""