নব্বইয়ের দশকে যেসব তরুণ কথাকারের বৃহত্তর আত্মপ্রকাশ, তাঁদের মধ্যে অভিজিৎ তরফদারের নাম অগ্রগণ্য। এই প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন নবীন লেখক ইতিমধ্যে বাংলা উপন্যাস ও গল্পের জগতে শুধু নিজের আসনটি সুনির্দিষ্ট করে নেননি, একই সঙ্গে প্রভূত প্রত্যাশা জাগিয়েছেন। বিশেষত, ছোটগল্প রচনায় তাঁর কৃতিত্ব উল্লেখযোগ্য। গল্পরচনার ক্ষেত্রে আপন দক্ষতাকে তিনি পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন। ফর্ম বা টেকনিক নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে না-গিয়ে লেখক ঘটনায়, বর্ণনায়, সংলাপে তৈরি এক একটি নিটোল গল্প নিজের মতো করে বলেছেন। নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও বিশ্লেষণবোধ দিয়ে তিনি মানুষ ও প্রকৃতিকে তুলে এনেছেন গল্পের অবয়বে। এক সুধী সমালোচক একদা লিখেছিলেন, "সেজান যখন প্রকৃতি আঁকেন তার ভিতরে লুকিয়ে থাকে মানুষের অ্যানাটমি। এল গ্রেকো যখন মানুষ আঁকেন, তার গভীরে নড়াচড়া করে প্রকৃতি।" এই কথাসাহিত্যিক তাঁর রচনাতেও এমন অনুভবী দ্যোতনা ও অভিব্যক্তি সৃষ্টি করেন অনায়াসে। আর এখানেই তাঁর গল্পের উত্তরণ ও সার্থকতা।
লেখকের বিগত ছ'বছরে লেখা পঁচিশটি বহু আলোচিত গল্পের সংকলন 'বকুল আজ আসছে'।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""