তেমনভাবে ভালবাসতে পারলে পাথরও ঝরনা হয়। কিন্তু উষ্ণ হাত ক্রমশ বিরল চারপাশে। সহদেব পাল হৃদয়হীন কঠোর কুসীদজীবী। সে আবার প্রবঞ্চিত তার বিবাহিত স্ত্রীর কাছে। নির্মম কুশলতায় ঋণজাল বিস্তার করে সহদেব। প্রবল জিঘাংসা ওত পেতে থাকে তার মধ্যে। কাহিনির স্রোতে ভাসে শতদ্রু আর দোলন। একদিকে শতদ্রু উচ্চাকাঙ্ক্ষী, নিস্পৃহ এবং কঠিন। অন্যদিকে দোলন অস্থির, বেপরোয়া এবং জেদি। তবুও সহদেব শতদ্রু দোলন সবাই গভীরে লালন করে ভালবাসার গোপন বীজ। দীনতর ভঙ্গিতে প্রতীক্ষা করে সেস্ট্র অমোঘ হাতছানির। আর ওই যে জানু পাগলি, হয়তো কোনও এক নিষ্ঠুরতা ছিনিয়ে নিয়েছে ওর আত্মা। অক্লান্ত হাঁটতে হাঁটতে কাউকে খুঁজে বেড়ায় সে। নানা ঘাত প্রতিঘাত আর টানাপোড়েনে চলতে থাকে এরা সবাই এবং অলক্ষে কখন যেন দাসখত লিখে দেয় এক কুহকী ঋণপত্রে। অবশেষে কেউ শুনতে পায় মোহনবাঁশি আর আহত কেউ থাকে- কখন মরমি হাত ছুঁয়ে যাবে তার বেদনা- এই প্রতীক্ষায়।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""