তিনি এলেন, লিখলেন, জয় করলেন। আজ থেকে আঠাশ বছর আগে এমনতর কয়েকটি শব্দই যেন প্রযোজ্য ছিল ওঙ্কার গুপ্ত সম্পর্কে। সেই ১৯৬৪-৬৫ সালে, পরপর কয়েকটি চমকপ্রদ ও নতুন স্বাদের ব্যঙ্গগল্পের লেখক-রূপে 'দেশ' পত্রিকার পৃষ্ঠায় যখন তাঁর সাড়া-জাগানো আবির্ভাব।
যে-গল্পগুলি পড়ে স্বয়ং ভাষাচার্য সুনীতিকুমারের মনে হয়েছিল: 'এ-যুগের হুতোম প্যাঁচার নকশা', যে-গল্পগুলির সুবাদে ত্রৈলোক্যনাথ-পরশুরামের যোগ্য উত্তরসাধক রূপে তাঁর প্রতিভাকে স্বীকৃতি জানিয়েছিলেন এ-যুগের বিদগ্ধ পাঠক-সমালোচককুল। গল্প তো নয়, ওঙ্কার গুপ্তের ভাষায়, একেকটি ব্যাপার। সমাজের, জীবনের, কর্মক্ষেত্রের, শিল্পক্ষেত্রের একেকটি অজানা দিককে তুলে ধরে জানানো, ঠিক কী ব্যাপার চলছে। কী ফাঁক, ফাঁকি, অপচয়, উৎকোচ, দুর্নীতি, প্রবঞ্চনা। তিনি নিজেও বলেছেন, পড়েও বোঝা যায় যে, প্রত্যেকটি ব্যাপারই সত্যমূলক। অথচ এমনই নিপুণ কৌশলে আর সরস ভঙ্গিতে লেখা যে, শেষাবধি এই সত্যমূলক ব্যাপারই হয়ে উঠেছে নিখুঁত, নিটোল একেকটি গল্প। লেখক হিসেবে ওঙ্কার গুপ্তের দোষ একটিই, খুবই কম লেখেন। গত ছাব্বিশ-সাতাশ বছরে লিখেছেন মাত্রই
তিরিশটি গল্প। এর মধ্যে সতেরটি সংকলিত হয়েছিল অধুনা-দুষ্প্রাপ্য ও একদা-সংবর্ধিত তাঁর 'এই তো ব্যাপার' ও 'ব্যাপার বহুতর' নামের গল্পগ্রন্থ দুটিতে। বাকি তেরটি বিভিন্ন
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""