যশোহরের চৌগাছার জমিদার পঞ্চাশের কৃষ্ণমোহনের সঙ্গে বিবাহ হয় তেরো বছরের মানদাসুন্দরীর। মানদা লেখাপড়া জানে। জমিদারবাবু নতুন বউ মানদাকে ভালবাসতে শুরু করেছেন দেখে দাসী গোলাপি একের পর এক কূট অভিসন্ধি তৈরি করে। উৎসাহী মানদা তার কলকাতার কলেজে পড়া, ডিরোজিওর অনুগামী দেবর ধরণীমোহনের কাছ থেকে পায় ইংরেজি শিক্ষার বই। চড়াই-উত্রাই পেরিয়ে মানদার জীবন বিধৃত হয়ে থাকে একটি আশ্চর্য নক্সী কাঁথায়। গা-ছমছম করা আলো ও আঁধার তাতে। 'মানদাসুন্দরীর কাঁথা' উপন্যাসে উনিশ শতকের অন্ধকার থেকে মুখ বার করে বাংলার এক মানবীর আলোর জন্য আর্তি সুচ-সুতোর অক্ষর নিয়ে কাঁথার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। রেনেসাঁর আলো মাখতে চাওয়া বাংলার অন্তর্জীবনের ছবি এই উপন্যাস।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""