কারুমঞ্জরী নামের একটি হস্তশিল্প সংস্থার কর্ণধার অবিবাহিতা উলূপী পালিতা কন্যা উপাসনাকে নিয়ে মধ্যমগ্রামের কাছে তার পৈতৃক ভিটায় বসবাস করে। কারুমঞ্জরীর কর্মীরাই তাদের আপনজন। উলূপীর ইঞ্জিনিয়ার দাদা উপল ও তার স্ত্রী পরমা থাকে আনোয়ার শাহ রোডে। তাদের একমাত্র সন্তান উপমন্যু ব্যাঙ্গালোরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে। উপলের সহপাঠী জিষ্ণুর বাল্যপ্রেম ছিল উলূপীর সঙ্গে। কিন্তু উচ্চতর বিদ্যার্জনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফার্মাকোলজিতে ডক্টরেট জাগরীকে বিয়ে করে সে। দুটি সন্তান ঋক ও রাকাকে নিয়ে বস্টনের উপকণ্ঠে সুখের সংসার তাদের। উপমন্যুর বন্ধু রাহুলকে বিয়ে করে উপাসনাও পাড়ি জমায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। সন্তানসম্ভবা অসুস্থ উপাসনার শুশ্রূষার জন্য উলুপীকেও যেতে হয় সেখানে। জিষ্ণুর উপর্যুপরি অনুরোধে মেয়েকে নিয়ে বস্টনে বেড়াতে যায় উলুপী। সেখানে গিয়ে উপাসনার অসুস্থতা জটিল আকার ধারণ করে। জটিলতর হয় সম্পর্কের টানাপড়েনও। রুপোর কাঠির ছোঁয়ায় ঘুমিয়ে পড়ে কেউ, কেউ বা শীতযাপন শেষে জেগে ওঠে সোনার কাঠির ছোঁয়া লেগে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""