সদানন্দবাবু দৈবে বিশ্বাসী। তাঁর ধারণা, মোষের লাথি খেয়ে ব্রেন বিগড়ে যাওয়াতেই অঘোর মণ্ডল 'হাম্বা-হাম্বা' ডাক ছাড়তে থাকে। ঢ্যাঙা কালো লোকটি বলেছিল, অমিতাভকে সে আফ্রিকা থেকে তাড়িয়ে ছাড়বে। তা-ই হয়। অমিতাভ দেশে ফিরে আসে। এদিকে পলাশডাঙায় এক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির যে-কারখানা গড়ে উঠছে, তার কর্মীদের বিজয়া-সম্মিলনীতে যোগ দিতে গিয়ে ভাদুড়িমশাই শোনেন, 'চন্দ্রগুপ্ত' নাটকে যার ছায়ার ভূমিকায় নামার কথা, সেই মেয়েটি খুন হয়েছে। খুনি কে? তার মাথার চুল কি হল্দে? রেখাকে সে মারলই বা কেন? স্রেফ পাথর খেয়ে বেঁচে থাকার রহস্যই বা কী? কোথায় নদী পাহাড় আর জঙ্গল দেখে ছুটি কাটাবেন, তা নয়, রহস্যের জট খুলতে লেগে গেলেন ভাদুড়িমশাই। জট শেষপর্যন্ত কীভাবে খুলল, তা-ই নিয়েই নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর এই জমজমাট উপন্যাস, যার প্রতিটি পরিচ্ছেদই চমকে ঠাসা।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""