" এই বইটিকে ঠিক আত্মকথা বলা হবে, না স্মৃতিকথা, নাকি কালচারাল এনথ্রপলজির শাখায় রাখা হবে, তার ভার সময়ের ওপর রইল।
সময়ের বিচার নিশ্চয়ই যথাসময়ে হবে, কিন্তু পাঠকের বিচারও তো একেবারে তুচ্ছ নয়। এই বইয়ের অতীতাশ্রয়ী দিন, যা অন্তত তিনচার দশক পুরনো, তার ভেতরে লুকিয়ে আছে মখমলমোড়ানো শৈশব। সেই শৈশব, যা আমাদের প্রিয়তম সময়, যা আমাদের অগমগোপনগহন মায়ায় পুনর্বার জড়ায়, যেখানে আমরা সব ঈর্ষাহিংসালালসা ফেলে ঝাঁপ দিতে চাই লিথির জলে, যখন রাজনীতি, সাম্প্রদায়িকতা, ভেদবুদ্ধি আমাদের মানসজগৎ আবিল করেনি, সেই শৈশবে তিনি আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যান। সেখানে খেলে বেড়ায় এক সাতআট বছরের বালিকা, যার দেখার চোখ ও শোনার কান এখনো নির্মলতম, যার হৃদয় এখনো কাকচক্ষুর মত স্বচ্ছ, যার ভালোবাসার সুগন্ধ এখনো সর্বগ্রাসী। সেই
এক্কাদোক্কাবালিকার চোখ আর কান দিয়ে তিনি আমাদের এক একটা পাকপ্রণালির গল্প শোনান।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""