উত্তরবঙ্গের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও পরিবেশ আন্দোলনের পুরোধা জগন্নাথ বিশ্বাস এম এক গুরুত্বপূর্ণ কর্ণময় চরিত্র যে তাঁর জীবদ্দশায় আলিপুরদুয়ারের চক্রবাক পত্রিক (যৌথ সম্পাদক রণজিৎ মালাকার) প্রথম সংখ্যা শুরু হয় জগন্নাথ বিশ্বাসের সহ
সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্বকে প্রচ্ছদ কাহিনি রূপে প্রকাশ করে। সেখানে তিনি নিজে
কথায় জানিয়েছেন তাঁর জন্ম তারিখ বাংলা ১৩৩১ সালের ১৭ই কার্তিক। ইংরেজি
সালে সেই তারিখ হয় ২ নভেম্বর, ১৯২৪ (তবে অর্ণব সেনের প্রবন্ধে ৪ নভেম্বর এব উমেশ শর্মার প্রবন্ধে ৩ নভেম্বর তারিখ পেয়েছি।)। পরে পুত্রবধূ মৌসুমি ভট্টাচার্যের কাছ থেকে জানতে পারি জগন্নাথ বিশ্বাসের জন্ম তারিখ ৪ নভেম্বর। তাই আগামী ৪ নভেম্বর তিনি শতবর্ষ অতিক্রম করবেন। এমন এক মূহুর্তকে আমরা উল্লেখযোগ্য করে রাখবো না এটা হতেই পারে না। তাই আমি গত চার মাস ধরে জগন্নাথ বিশ্বাসের সম্পর্কে তথ্য
aha
12
জোগাড় করে চলেছি কলকাতাতে বসেই। আমার প্রয়াসে যারা সহযোগিতা করেছেন তাঁদের মধ্যে আছেন কিংবদন্তী অর্ণব সেন, রণজিত মালাকার, জগন্নাথ শীল, স্বপন ভট্টাচার্য, প্রদীপ অধিকারি, উত্তম চৌধুরি, বেণু সরকার এবং অনেকে। বয়সজনিত কারণে আমি আলিপুরদুয়ারে যেতে পারিনি বলে কোন সমস্যা হয়নি, যে আলিপুরদুয়ারের জংশন রেলওয়ে কলোনিতে আমার জন্ম এবং স্কুল জীবন কেটেছে। স্বপন ভট্টাচার্য আলিপুরদুয়ার কলেজিয়েট স্কুলে আমার সহপাঠি ছিল। আমি তখন জানতাম না ও আলিপুরদুয়ার কেন সারা বাংলাদেশের মধ্যে খুব সম্ভবত একমাত্র পরিবেশকেন্দ্রিক সাময়িক পত্রিকা 'বনমহল'-এর সম্পাদক প্রয়াত রুক্মিনী ভট্টাচার্যের সুযোগ্য পুত্র। জগন্নাথ বিশ্বাসের সাহিত্যকৃতির বেশির ভাগ লিপিবদ্ধ হয়েছে এই 'বনমহল' পত্রিকাতে (প্রথমে নাম ছিল 'বনবাণী')। বন্ধু স্বপন এই পত্রিকা থেকে জগন্নাথ বিশ্বাসের লেখা বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ আমাকে পাঠিয়েছে। তাই ওর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। এছাড়া রণজিত মালাকারের কথা বিশেষ ভাবে বলতে হয়, কারণ তিনি আমাকে তাঁর সম্পাদিত 'চক্রবাক' পত্রিকার প্রথম সংখ্যা ছাড়াও 'জগন্নাথ বিশ্বাস' এবং 'তারাপদ দাশ'কে উৎসর্গ করা বিশেষ সংখ্যাটিও দান করেছেন। এছাড়া নেচার ক্লাব প্রকাশিত জগন্নাথ বিশ্বাস বিশেষ সংখ্যাটিও আমাকে পাঠিয়েছিলেন। এই সব সূত্র
থেকে আমি এমন কয়েকটি প্রবন্ধ পেয়েছি যা একসঙ্গে বোধহয় আগে প্রকাশিত হয়নি। এই প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গের 'চিকরাশি' পত্রিকার সম্পাদক অমিত দে জগন্নাথ বিশ্বাস বিশেষ সংখ্যাতে লিখেছেন যে জগন্নাথ বিশ্বাসের লেখা প্রবন্ধ উদ্ধার করতে গেলে 'বনমহল' পত্রিকার উপর নির্ভর করতে হবে। একথা ষোল আনা সত্যি।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""