তেমনভাবে দেখতে গেলে সমস্ত বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে বাঁশিই সবচেয়ে সাদামাটা এবং সবচেয়ে অনাড়ম্বর। বিশেষভাবে আড়-বাঁশি- ছিদ্রযুক্ত ফাঁপা নল ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু বাঁশির সুর স্পষ্ট, তীক্ষ্ণ- তা একইসঙ্গে উদ্দীপনাময়, প্রাণবন্ত ও বৈষাদান্তিক। বাঁশি তখনই বাজে, যখন মানুষের প্রাণসংরক্ষণকারী শ্বাসবায়ু বাঁশির ছিদ্রপথে চালনা করা হয়। সুতরাং বাঁশি বেজে ওঠে মানুষের প্রাণবায়ুর উপযোজনে। অর্থাৎ মানুষের প্রাণসত্তার নিয়ন্ত্রিত প্রয়োগেই আপাত-নিষ্প্রাণেও জীবন সঞ্চার হয়। বাঁশির সুরে নিঃসাড়-স্থবিরেও দেখা দেয় জীবন-চাঞ্চল্য। এই বাঁশিটি ছিল তারাপদর বন্ধনহীন বুকের গভীরে, হৃদয়তন্ত্রীতে বাঁধা ছিল তার সুর।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""