বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ' তিনখণ্ডে ভাগ করা হয়েছে। 'প্রথম খণ্ডে' বিদ্যাসাগরের জীবনের ও চরিত্রের বিভিন্ন দিক ও বাংলার রেনেসাঁসের 'প্রকৃতি' সম্পর্কে অনেক জটিল প্রশ্নের অবতারণা করা হয়েছে। যা পরবর্তী দুই খণ্ডের সুবিস্তৃত ইতিহাস ও বিদ্যাসাগরের ব্যক্তিচরিত্র বুঝতে হলে ভূমিকা রূপে অবশ্য পাঠ্য।
'দ্বিতীয় খণ্ডে' ১৮২০-১৮৫০ সাল পর্যন্ত বাংলার সামাজিক ইতিহাসের পটভূমিকায় বিদ্যাসাগরের বাল্যজীবন। ছাত্রজীবন ও কর্মজীবন সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।
'তৃতীয় খণ্ডের' বিস্তার ১৮৫১ সাল থেকে ১৮৯১ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ প্রায় উনিশ শতকের শেষ পর্যন্ত।
এই সময়েই বিদ্যাসাগরের সমাজচেতনা ও ব্যক্তিচেতনার সংযোগের ফলেই তাঁর ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের প্রকাশ সম্ভব হয়েছিল। তিনিই প্রথম সেই সমাজচেতনাকে, প্রত্যক্ষ সামাজিক ক্রিয়ার ভিতর দিয়ে সামাজিক বাস্তবতাতে পরিণত করবার ইচ্ছা করেছিলেন। এই অবস্থার সাফল্যই মহাজীবনের পরিণতি।