সংখ্যাল্প হলেও প্রবন্ধগুলোর মধ্যে আশা রাখা যাক থেকে গেল ভাবনাকে উসকে দেবার মতো খড়কুটো। অবশ্য এটাও ঠিক যে বিষয়বস্তুর দাবি মেনে দু-একটি প্রবন্ধকে আরও বৃহত্তর ব্যাপ্তি দেওয়া অভিপ্রেত ছিল।
লেখালেখি যদি নিজের সত্যে অবিচল থাকে, ডালপালা মেলবার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে সেখানে অপেক্ষা করে থাকে ভাবনার ছোটোবড়ো সুপ্তবীজ। পরবর্তী লেখাপত্রে তাদের জাগিয়ে তোলা সম্ভব হল কি? কেবল তাহলেই গড়ে উঠতে পারে মননের সজীব ধারাবাহিকতা। সেই পরিণতির দিকে যে তাদের কিছুটা হলেও এগিয়ে দিতে পারবেন, সে-ভরসায় আপাতত না হয় থাকা যাক।