লোকটার তাক্ দেখে তাক্ লেগে যায়।
কাগজ দু'খানাকে মাদুর গোটানো করে গুটিয়ে ইঞ্চি-তিনেকের একটুকরো মশলাবাঁধা দড়ি দিয়ে সেটাকে জব্দ করে ফেলে, এমন কৌশলে রাস্তা থেকে ছুড়ে দেয় যে, তিনতলার ফালি বারান্দাটা পার হয়ে একেবারে ঘরের মধ্যে এসে আছড়ে পড়ে।
প্রত্যেকদিন একই জায়গায়।
একদিনের জন্যেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না।
পুসি কুড়িয়ে নিতে নিতে ভাবে মাঝে মাঝে, এই বেচারাদের গুণের কদর নেই, এমন একটি গুণ নিয়ে সত্য-ত্রেতা-দ্বাপরটাপরে জন্মালে হয়তো এই অব্যর্থ লক্ষ্যভেদের গুণে অর্ধেক রাজত্ব আর একখানা রাজকন্যা জুটে যেত।
নীপুর কাছে বলেছিল একথা একদিন হেসে হেসে। নীপু বলেছিল, 'অর্ধেক রাজত্ব না হোক, রাজকন্যাটি পেতে বাধা কী?' কথার শেষে মুচকি হেসে বলেছিল, 'রেগে ওঠবার কোনো কারণ নেই, 'রাজকন্যে' শব্দটায় যদি আপত্তি থাকে তো না হয় দিব্যকন্যা। মানে দেবদুর্লভ কন্যে।'
কিন্তু নীপু কে?
আর পুসিই বা কে?
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""