আজ নিয়ে এই তৃতীয় দিন মেয়েটিকে দেখলেন শুভময়। একই জায়গায়, পার্কের একই বেঞ্চিতে। সঙ্গে আধা পঙ্গু ছেলে।
ইদানীং মাঝেমধ্যে আবার প্রাতঃভ্রমণে বেরোচ্ছেন শুভময়। একসময়ে অভ্যেসটা তাঁর নিয়মিতই ছিল, রিটায়ারমেন্টের পর থেকেই। তখন শীত হোক, গ্রীষ্ম হোক, বৃষ্টি নামকু, কুয়াশা থাকুক, শুভময় উঠে পড়তেন কাকভোরে, সূর্য ওঠার ঢের আগেই নিজে হাতে বানানো এক কাপ চা খেয়ে, জুতো-মোজা গলিয়ে সোজা রাস্তায়। সাজপোশাকেও তখন ভারী বাহার ছিল শুভময়ের।
গরমের দিনে রংচঙে টিশার্ট অথবা ধবধবে সাদা তোয়ালে গেঞ্জি, শীতে লোভনীয় ডিজাইনের পুলওভারের সঙ্গে বিলিতি হ্যাট। পরমাকে নিয়ে একবার কন্টিনেন্ট ট্যুরে গিয়েছিলেন শুভময়, তখন খোদ লন্ডন থেকে এনেছিলেন টুপিটা। স্রেফ মর্নিংওয়াকের জন্য এক জোড়া দামি স্পোর্টস শু্য'ও কিনেছিলেন শুভময়। চলনে বলনে তখন স্পষ্ট বোঝা যেত শুভময় হেঁজিপেজি লোক নন, সাহেবি কেতাকানুনে রীতিমতো দূরস্থ ডি-ভি-সির প্রাক্তন চিফ ইঞ্জিনিয়ারটির
শরীরে বয়স মোটেই তেমন দাঁত বসাতে পারেনি। হাঁটতেনও তখন বেশ জোরে জোরে, লম্বা লম্বা পায়ে। ঘুরে ঘুরে তাকাত গোল্ডেন পার্কে জগিং করতে আসা ছেলে-ছোকরারা। নিজেদের মধ্যে বলাবলি করত, ওরে মেসোমশাইকে
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""