x

Welcome Guest

Login or Register
0 0
Card image cap
1
2
3
4
5

Ganajnapan Tattwe O Prayoge

Author - Dr. Partha Chattopadhyay

₹392 ₹450

13% off

Description

Author : Dr. Partha Chattopadhyay

Publisher : Deys Publishing

Language : Bengali

Binding : HARDBOUND

Page Number : 391

ISBN : 9788129526649

Prices are subjected to change. We will inform you in such cases
Our Shipping Charges
  • Features
  • Reviews(0)
ষাটের দশকে আমি যখন সাংবাদিকতা পেশায় আসি তখন Mass Communication শব্দটি আমাদের কাছে অশ্রুত ছিল। সত্তরের দশকে আমি এই শব্দটির সঙ্গে পরিচিত হই কিন্তু Mass Communication-এর পিছনে যে গভীর তত্ত্ব আছে তা প্রথম উপলব্ধি করি ১৯৭৪ সালে জেফারসন বৃত্তি পেয়ে যখন হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের East West Centre-এ Mass Communication সম্পর্কে গবেষণা করতে যাই। সেখানে গিয়ে আমি ড. উইলবার জ্যামের সান্নিধ্যে আসি। দিনের পর দিন তিনি আমাকে Mass Communication সম্পর্কে তত্ত্বজ্ঞান দেন। তার কতটা নিতে পেরেছি আমি জানি না কিন্তু অমন একজন মনীষীর সান্নিধ্যে আসতে পারাটাই আমার জীবনের পরম সম্পদ। হনলুলুতে আমি নগরজীবনে কম্যুনিকেশনের প্রভাব নিয়ে কাজ করি। আর একটি বড় সুযোগ হয় ইস্টওয়েস্ট কম্যুনিকেশন ইনস্টিট্যুটের লাইব্রেরিতে কম্যুনিকেশনের ওপর বই পড়ার। দেশে ফিরি এতই উদ্দীপ্ত হয়ে যে ১৯৭৫ সালে পূর্ব ভারতে মাসকম্যুনিকেশন সম্পর্কে গবেষণা করার জন্য একটি ছোট ইনস্টিট্যুট তৈরি করে ফেলি। এই ইনস্টিট্যুটের পিছনেও ড. আমের আশীর্বাদ এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিট্যুট অফ মাসকম্যুনিকেশনের তৎকালীন ডিরেক্টর ও পরবর্তীকালে প্রেস কমিশনের সচিব ড. মনমোহন দেশাই এর সক্রিয় সহযোগিতা ছিল। কিন্তু তখন 'মাসকম্যুনিকেশন' শব্দটি পশ্চিমবঙ্গের সাংবাদিকদের কাছে অপরিচিত। দেশে তখন জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। কতিপয় সাংবাদিক আমার কর্মস্থলের কর্মকর্তাদের কাছে ও সরকারের কাছে, আমার নামে এই অভিযোগ করেন মাসকম্যুনিকেশন চর্চা হল দেশদ্রোহিতামূলক কাজকর্ম এবং বিদেশি মদতপুষ্ট। পুলিশের ভয় দেখিয়ে আমার পৃষ্ঠপোষকদের বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাকে ইনস্টিট্যুটটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য করেন। 100 কিন্তু আমি মাসকম্যুনিকেশন চর্চা ছাড়ি না। সে সময় আমি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক সময়ের সাংবাদিকতার অধ্যাপক ছিলাম। তখনও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে Mass Communication পড়ানো হত না। পড়ানো হত Principles of Journalism, সেটি আমিই পড়াতাম। আমি পাঠ্যসূচির বাইরে মাসকম্যুনিকেশনের কিছু কিছু তত্ত্ব পড়াতে থাকি। অতঃপর দিব্যেন্দু হোতা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যপুস্তক পর্ষদের দায়িত্বে এলে সাংবাদিকতার বাংলা বই রচনার জন্য তিনি একটি কমিটি করেন। ওই কমিটিতে আমি ছিলাম। সে সময় আমি দায়িত্ব নেই Mass Commu-nication এর ওপর একটি বাংলায় বই লেখার। Mass Communi-cation এর জন্য তখনও কোনও বাংলা পরিভাষা হয়নি। আমি নিজেই এই পরিভাষা তৈরি করি। Mass Communication এর বাংলা করি গণ-জ্ঞাপন। ১৯৭৪ সালে গড়া আমার ইনস্টিট্যুট Eastern India Centre for Mass Communication Studies এর বাংলা নাম রেখেছিলাম পূর্বভারত গণজ্ঞাপন গবেষণা কেন্দ্র। ওই সময় গণজ্ঞাপন বইটি লিখি। ইংরাজিতেও গণজ্ঞাপনের উপর একটি সুসম্বন্ধ Text বই নেই। সবই আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। গণজ্ঞাপন ছিল একটি সুসংহত বই তা এমনভাবে লেখা হয়েছিল যাতে যেকোনও গণমাধ্যম পেশাদার ব্যক্তি, সমাজকর্মী ও গণজ্ঞাপনের ছাত্রছাত্রীরা একযোগে পড়তে পারেন। গণজ্ঞাপনের দ্বিতীয় সংস্করণ দীর্ঘকাল নিঃশেষিত। এদিকে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বইটির চাহিদা প্রচুর। আমার কাছে অনেকে এসে আমার কপি থেকে বইটি জেরক্স করে নিয়ে গেছেন। ইতিমধ্যে গণজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে প্রভূত পরিবর্তন ঘটেছে। এইসব পরিবর্তনের দিকে লক্ষ্য রেখে ও অনেকগুলি নতুন বিষয় নিয়ে সম্পূর্ণ একটি নতুন বই লিখলাম (গণজ্ঞাপন তত্ত্বে ও প্রয়োগে) এই বইটি পাঠকদের চাহিদা মেটাবে। ছাড়াছাও জ্যাক্যপিাকে চ্যাদায়গত আমি খুব খুশি যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এখন গণজ্ঞাপন শব্দটি গ্রহণ করেছেন ও গণজ্ঞাপন তত্ত্ব পড়াতে শুরু করেছেন। নেতাজী সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গণজ্ঞাপন পাঠ্যক্রমের জন্য যে পাঠ্যপুস্তক তৈরি হয়েছে তাতে আমার গণজ্ঞাপনের রেফারেন্স বার বার দেওয়া হয়েছে। আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে দেখবেন জ্বল জ্বল করছে বাংলায় লেখা 'গণজ্ঞাপন' বিভাগ। কার হায়ানকেই ডাল 'সভ্যালীকোলার বাংলা ভাষার মাধ্যমে একটি শাস্ত্রকে সকলের কাছে পরিচিত করতে পেরেছি এবং আমার পরিভাষা সকলে গ্রহণ করেছেন তাতেই আমি খুশি।

Customers' review

5 Star
0%
50
4 Star
0%
50
3 Star
0%
50
2 Star
0%
50
1 Star
0%
50

Reviews

Be the first to review ""