সংহিতার বিয়ের অভিজ্ঞতা ছিল মর্মান্তিক। ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার কয়েকমাস পর সে জয়ব্রতর সংস্পর্শে আসে। ছোট্ট মেয়ে টিকলিকে নিয়ে জয়ব্রত তখন একা। এই সম্পর্কটিও ভেঙে যায়। জয়ব্রতকে বিশ্বাসঘাতক মনে করে সংহিতা। একাকিত্বে সৃজন-উন্মাদনায় দিন কেটে যায় তারপর। আটান্ন-র সংহিতা এখন নামকরা চিত্রকর। এখন রাতে ঘুমোলেই স্বপ্নে আসছে অদ্ভুত এক মিছিলের ছবি। এরপরই একটা ঘটনা ঘটে। জয়ব্রতর মিনতিভরা ফোন পেয়ে তার ওখানে যেতে বাধ্য হয় একদিন সংহিতা। সে দেখে টিকলির অ্যাসিডদগ্ধ ভয়ংকর চেহারা। সে শোনে জয়ব্রত ক্যানসারে আক্রান্ত। কিঞ্চিৎ বিমূঢ়তার পর জেগে ওঠে ভালবাসার আলো। টিকলিকে দেখামাত্র তার চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেয় আশ্চর্য বান্ধবী মিলা। সব ভুলে জয়ব্রতকে হাসপাতালে ভর্তি করে সংহিতা। সমরেশ মজুমদারের ‘মুদ্রাভঙ্গ’ উপন্যাসে পাপপুণ্যময় জীবনের বিচিত্র জলছবিতে আলতো লেগে আছে হৃদয়ের বিষাদ।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""