আমরা এখন এক রুক্ষ, দাম্ভিক, দুষিত সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি। এই সময়ের কাহিনী নিয়ে 'বকুল'- দ্বিতীয় পর্ব। উপন্যাসের প্রতিটি পাতায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বকুল বিশ্বাসের জীবনের উত্তর বৈকুণ্ঠপুর পর্ব। প্রথম পর্বের যেখানে শেষ, দ্বিতীয় পর্ব ঠিক সেখান থেকেই শুরু। উপন্যাসের প্রতিটি পংক্তি পড়তে গিয়ে পাঠকের জিজ্ঞাসু মনকে এক আশ্চর্য প্রহেলিকায় আচ্ছন্ন হ'তে হয়। কোন বিক্ষায় এই দুঃসময়ের কলুষ থেকে নিজেকে পরিচ্ছন্ন রাখতে অবিচল থাকেন একজন মানুষ? মালিন্যে, আপোষে, লোভে, হিংসায় সংক্রমিত খোলস পাল্টানোর ভঙ্গুর এই সংকট সীমায় কোন শক্তিতে মৌলিক থাকতে পারেন বকুল বিশ্বাসের মতো মানুষেরা? মানব দূষণের এই দিনকালে মাতৃগর্ভের সারল্যে কী করে নিষ্কলঙ্ক থাকা যায়; সততা, নিষ্ঠা আর সত্যকথনকে গভীর বিশ্বাসে কীভাবে মনে করা যায়! সমস্ত মানুষের মৌল প্রবণতা সেকথাই এই উপন্যাসে বারংবার মূর্ত হয়ে উঠতে দেখা যায়। সাহিত্য যদি সমাজের দর্পণ হয়, তা হলে 'বকুল'- এর দর্পণে নতুন প্রজন্ম বিলক্ষণ জেনে নিতে পারে মূল্যবোধ এবং মূল্যহীনতার মধ্যে লড়াইয়ে প্রকৃত অর্থে জয়ী কে?
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""