সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে হিম্মৎগ্রাম যখন ঝোপড়ি থেকে বেরিয়ে এল, তখনও সূর্য ওঠেনি। একটু দূরে ওর বাবা খেলাওৎরাম আগেই উঠে দাঁতন করছে। হেমন্তের ভোর, শীত না পড়লেও বাতাসে ঠাণ্ডা ভাব এসে গেছে। রাতে গায়ে গরম চাদর দিতে হয়। সেই চাদর মুড়ি দিয়েই বেরিয়েছে হিম্মৎ। বাড়ির আঙিনার চারপাশের ঝোপের বেড়ার গায়ে কুয়াশা লেগে রয়েছে। সামনের মাঠের গাছগুলোর একটাও দেখা যাচ্ছে না। অবশ্য গাছই বা কটা এই পোড়া দেশে। হিম্মৎগ্রাম বাবার সঙ্গে ইটাওয়া গিয়ে দেখেছে সাহেবরা রাস্তার ধারে ধারে গাছ লাগিয়েছে। হিম্মতের বাবাও গাছ লাগায়, তবে সে গাছ অন্যরকম, আর সে শহরেও না। দাঁতন করতে করতে খেলাওৎরাম ছেলেকে হেঁকে বলল, "হেমৎ, বেটা, যা জলদি দাঁতন করে তৈরি হয়ে নে, আজকের দিনে গড়িমসি করিসনি।"
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""