অনুভবের অনেক রকম আত্মীয়তা হয়। অর্থাৎ একই অনুভূতির ব্যক্তিভেদে আলাদা আলাদা বহিঃপ্রকাশ। আলাদা রকম প্রকাশভঙ্গি। তাই একের কাছে যা রোজকার আটপৌরে চোখে দেখা, কানে শোনা এবং আপাতভাবে সাধারণ ঘটনাপরম্পরার নির্যাসের 'রোজনামচা', আরেকজনের কাছে সেই অনুভবই আবার ধরা দেয় শব্দকল্পের ক্যানভাসে কবিতার শরীর নিয়ে। গদ্য ও কবিতার সীমারেখা ফিকে হয়ে যায়। জল সরে গেলে পড়ে থাকে বিষয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা সামাজিক কঙ্কাল আর একইসাথে অসম্ভব ব্যক্তিগত অথচ অকাতরে সার্বজনীন কিছু অনুভবের কড়চা। কবিই বলি কিম্বা লেখক, আদপে ওঁরা দেখেন গভীরে, ভীষণ পাতালে কোথাও জেগে বসে আছে একটা বিকল শরীর। ওপর থেকে ডাক দিলে সাড়া আসে না। কবি লিখতে চায়, কিন্তু ব্যক্তিগত অকবিতা তাকে ঘিরে ধরে কুয়াশার মত। লেখক, না উত্তম পাঠক হয়ে উঠতে পারে, না পারঙ্গম লেখক। একটা অদ্ভূত মরমে মরে যাওয়া অনুভব থেকে কুয়াশা জমে জমে কখন জানি লেখা হয়ে যায় 'ঘুমন্তকাল'। সেই 'ঘুমন্তকালের' চৌকাঠ পেরিয়ে রোজকার রোজনামচায় যখন রোদ্দুর আসে, ঘুম এসে যায়। রাতজাগা ঘুম আসে, যায়। রোজ। 'ঘুম যায় রোজ'।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""