কদমতলার মোড়ে বিষণ্ণ মুখে দাঁড়িয়ে ছিল জগন্নাথদা। জলপাইগুড়ি শহরের কিছু এই মানুষ অনেক চেষ্টা করেও ব্যবসায় সফল হতে পারেননি। না পারার কারণ তাঁর সততা। এই জগন্নাথদাকে অনেকদিন ধরে চেনে অর্জুন। বাড়ির নীচে বড় রাস্তার উপর তাঁর দোকান। গত দশ বছরে অন্তত তিনবার দোকানের চরিত্র বদলাতে বাধ্য হয়েছেন ব্যাবসা না জমায়। এখন করছেন মোবাইলের ব্যাবসা।
প্রথম দিকে বেশ ভিড় দেখেছে অর্জুন জগন্নাথদার দোকানে। ইদানীং লোকজন চোখে পড়ত না। খদ্দের নেই বলেই বোধহয় জগন্নাথদা দোকানের সামনে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছেন। অর্জুন পাশে গিয়ে দাঁড়াল, "কী ব্যাপার? বাইরে দাঁড়িয়ে আছ?"
"ভিতরে বসে কী করব? খদ্দের কোথায়?"
"সেকী! এখন তো প্রায় পঞ্চাশভাগ মানুষের হাতে মোবাইল। তোমার তো ব্যাবসা ভাল হওয়া উচিত।" অর্জুন বলল।
"তুমি সত্য অন্বেষণ করে বেড়াও, অথচ কোনও খবর রাখো না। আমার দোকানে এসে মোবাইল কিনলে কাস্টমারকে তার আইডেন্টিটির প্রমাণ দ্যাখাতে হয়। ফর্ম ভরতি করতে হয়। কোনও মোবাইল কোম্পানির পোস্ট-পেড কানেকশন নিতে হলে নিয়মকানুন মানতে হয়। তা ছাড়া আমি কোম্পানির কাছ থেকে যে-দামে সেট নিয়ে আসি, তাতে খুব বেশি কমিশন পাই না। তাতেই এক-একটা সেট চার থেকে পাঁচ হাজারের কমে বিক্রি করা যায় না। অথচ জলপাইগুড়িতে দেড়-দু'হাজারে প্রচুর সেট পাওয়া যাচ্ছে অনায়াসে। কোনও নিয়মকানুন নেই। অতএব লোক
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""