যুগপুরুষ মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের কথা আমরা জানি। নবদ্বীপ পর্বে তাঁর জীবনের প্রায় প্রত্যেক ঘটানার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িয়ে আছেন তাঁর অর্ধাঙ্গিনী বিষ্ণুপ্রিয়া। কিন্তু মোটের ওপর ভক্তিরসে জারিত জীবনীগ্রন্থ গুলিতে এই পার্শ্ববর্তিনীর ব্যাপারে ঔদাসিন্যই দেখা যায়। অথচ তিনি বিশ্বস্তরের প্রতি প্রেমরসে নিমজ্জিতা এক নিবিড় অস্তিত্ব। যাকে বাদ দিয়ে সম্পন্ন হয় না চৈতন্য আখ্যান। এই বইয়ের পাতায় পাতায় তাই ধরা আছে বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর বয়ান। বিভিন্ন ঘটনা ও চরিত্রদের বিষয়ে, জগাই মাধাই দমন বা চাঁদকাজী দলন সবক্ষেত্রেই যেমন সেই গৃহান্তরালের রমণীর চোখ দিয়ে দেখেছি, তেমনি নিত্যানন্দ, শ্রীবাসঠাকুর, অদ্বৈত আচার্য বা যবন হরিদাসের মতো ব্যক্তিত্বকেও একবার যাচাই করে নিই নারীর চোখ দিয়ে। আর চূড়ান্ত রহস্যময় বিষয়, মহাপ্রভুর গৃহত্যাগ। সে বিষয়ের ঝাপটও তো সবচেয়ে বেশি লেগেছে তাঁর ঘরের মানুষের ওপর। এর বিবিধমুখী কারণও তো বারবার অভিঘাত তৈরি করেছে তাঁর ও তাঁদের অন্তরে। এইসব চেনা জিনিস অচেনা চোখে দেখা নিয়েই উপন্যাসিকা 'যে জন আছে মাঝখানে'।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""