অনেক সময় মিথ ডিস্পেলার। এমনকি মিথ্যারও। ট্রাম্প-মার্কা কিছু অসত্য প্রচারেরও নিরসন হয় সময় বিশেষে। দেশীয় নেতারা একদিকে যখন তালি-প্রদীপ-থালিবাদন এমনকি গোময়-গোমূত্রের ভূমিকা বুঝিয়েছেন। অন্যদিকে মহাশক্তিধর আমেরিকা ব্যস্ত থেকেছে ভাইরাসের চিনযোগ তথা পরিকল্পিত গণহত্যা তত্ত্বের নির্মাণ করতে। এই সব অপপ্রচারের বিরুদ্ধেই আপসহীন সংগ্রাম চালিয়েছে ডাঃ ভট্টাচার্যের কলম। সে লড়াই হয়তো ছিল অসম কিন্তু অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং ন্যায্য। আর বিজ্ঞানের পক্ষে তো চিরকালই কম লোকে দাঁড়ান। কুসংস্কার মেনে নেওয়া যে ঢের বেশি সোজা। একটা সময় ছিল যখন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার না দিয়ে আমরা উইচ হান্টিং করে বেরিয়েছি। প্রয়োজনে হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়েছি আবার সেই চিকিৎসাকর্মীকদেরই নিজের পাড়ায় রাখতে চাইনি।
সর্বনাশা কোভিড-১৯ অতিমারী অজস্র মানুষের প্রাণ নিয়েছে, রোজগার কেড়েছে। আবার চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের অসংখ্য দুর্বলতাও ধরিয়ে দিয়েছে। একটি সুসংহত সমাজব্যবস্থার প্রয়োজন এর আগে এত বড়ো ঝাঁকুনি দিয়ে কেউ বলে দিয়ে যায়নি। এক দেশের উৎপাদন অন্য দেশে বেচলেই তো আর বিশ্বায়ন হয় না। তার জন্য দরকার সৌহার্দ্যপূর্ণ পারস্পরিক সহযোগিতা, সঠিক তথ্যের আদানপ্রদান। সময় এসেছে "মি ফার্স্ট" নীতির বদলে সবাইকে নিয়ে চলার। আরও একটি বিরাট ফাঁক ধরা পড়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার অপ্রতুলতায়।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""