একা কোনও কাজ করা যায় না। নানা মানুষের সহায়তা ও সহযোগিতায় একটা কর্মকাণ্ড সুসম্পন্ন হয়। যারা পাশে না থাকলে 'রূপকথার রান্না'র জন্ম হত না, সেই মানুষগুলোকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েই শুরু করি। গত বছর 'রান্নার রূপকথা' প্রকাশের পর এই বছর 'রূপকথার রান্না'। আগের বইতেই কথা দিয়েছিলাম নতুন নতুন রান্না আর তার গল্প নিয়ে আবার কিছু লিখব। কারণ আমি বুঝেছিলাম আরও অনেক কথা বাকি আছে।
বাকি থেকেও যাবে। আরও নতুন কথা জমবে। এ এক নিরন্তর বয়ে যাওয়া স্রোতের মতো। এ গল্পের নটেগাছ মুড়োয় না। কারণ এ গল্প আসলে মানুষের গল্প, জীবন যাপনের গল্প। তাই এই বছরের শুরুতে যখন সিডনি গেলাম, আমার ঝুলি ভরে উঠতে শুরু করল নতুন অভিজ্ঞতায়, তৈরি হতে থাকল নতুন বইয়ের পাণ্ডুলিপি। সিডনির সেইসব উৎসাহী, আমুদে, উপকারী বন্ধুদের ধন্যবাদ। যাদের দৌলতে ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে আমার। কলকাতা শহরে রান্না-খাওয়া সংক্রান্ত আমার অতি ছোট্ট প্রয়াস ফুড ফারিস্তা সম্ভবই হত না যদি আমার পাশে আমার এই অতিথিরা না থাকতেন। কত নতুন মানুষ আসেন, খাওয়াদাওয়া করেন, আমি তাঁদের গল্প শুনি, ঋদ্ধ হই। রান্না-খাওয়ার হাত ধরেই এত মানুষের সঙ্গে আলাপ, তাঁদের গল্প নিয়েই তো 'রূপকথার রান্না'। কৃতজ্ঞ তাঁদের প্রতি। আমার দাদা সোমনাথ বসুঠাকুর, গুণী শিল্পীর একটাই কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছিল বিগত কয়েক মাস। আমাকে
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""