উত্তরবঙ্গে কাকার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পিটুর পরিচয় হয় কাকার প্রতিবেশীর মেয়ে মিঠুর সাথে। মিঠু দিদির সাথে ভাবও জমে ওঠে পিটুর। এক বিকেলে ঘুরতে ঘুরতে হাজির হয় ধরলা নদীর পাড়ে। নদীর পাড়ে দু'জনে মিলে নুড়ি কুড়োতে কুড়োতে হঠাৎ চোখে পড়ে আশ্চর্য সুন্দর এক নুড়ি।
ছুটি কাটিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরে এসে সেই নুড়ি দেখাতেই পিটুর ঠাকুমা নাতির কাছ থেকে সেই নুড়ি নিয়ে নেন। নুড়ি 'রাধামাধব' হিসেবে স্থান পায় ঠাকুরঘরে। শুরু হয় নিত্যপূজা। রাধামাধব-এর প্রচার ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
হঠাৎ একদিন ঠাকুরঘরের আসন থেকে উধাও হয়ে যায় 'রাধামাধব'। মুষড়ে পড়েন পিটুর ঠাকুমা। রাধামাধব উধাও হওয়ার রহস্য উদঘাটন করতে আসরে নামেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার সতীশবাবু।
জীবনের ঝুঁকিকে উপেক্ষা করে তদন্তের জাল বিছিয়ে আবার ধীরে ধীরে তা গুটিয়ে এনে সতীশবাবু কীভাবে উদ্ধার করলেন রাধামাধবকে, কীভাবে ধরা পড়লো প্রকৃত অপরাধী, পিটুর বুদ্ধিমত্তা কীভাবে সাহায্য করলো সতীশবাবুকে তদন্তের কাজে, অবশেষে কীভাবে উন্মোচন হলো রাধামাধব-এর প্রকৃত পরিচয়! ঘটনার ঘনঘটায় মোড়া রহস্য উপন্যাস মলাট বন্দি হয়ে নামকরণ পেয়েছে 'রাধামাধব রহস্য'।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""