ভয় শব্দটা হচ্ছে আদি অকৃত্রিম যা মানুষকে সবসময়ই ঘিরে রাখে। মানুষ ভয় পেতে ভালবাসে, তবে স্বীকার করতে চায় না। ভয় শপটা হচ্ছে একটা জাদু। আমরা ভয়কে কিন্তু বেশ ভালইবাসি। ভূত, ডাইনি, পিশাচ, আলৌকিক জিন এদের গল্প শুনতে ও জানতে কে না ভালবাসে। আর তার সাথে মিশে থাকে এক হীমশীতল ভয়ের স্রোত যা শরীর বেয়ে বইতে থাকে। টিমটিমে আলোয় বা অমাবস্যার রাতে, ভৌতিক গল্প শুনতে শুনতে শিউরে ওঠা, ভয়ে বড়দের গা ঘেষে বসা, সবতো আমাদের জীবনে প্রায়ই ঘটে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেন আমরা ভয় পাই, ভয়তো আমাদের পিছু পিছু হাঁটে, তবে এই ভূত প্রেত্নীর ভয় ছোট থেকে বড় সবার মনেই আলোড়ন তোলে। এতে কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা মেলে না, তবে ওরা আছে, এটা বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করতে পারে না, কিন্তু মানুষ তাদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়ে টের পায় ওদের উপস্থিতি। এরা আমাদের সঙ্গেই পথ চলে, কথাও বলে। আবার কিছু ভূত প্রেত আছে যারা মানুষের জীবনে সঙ্গী হয়ে উঠে, ওরা মানুষের সঙ্গে সংসারজীবনও করে। এখানে জিনদের কথা বলা হয়েছে, এরা মানুষের রূপ ধরে মানুষের সঙ্গে মেশে, প্রেম করে আর সংসার ধর্ম করে। এই জিনভূতেরা খুবই ভয়ঙ্কর, এরা নানা রকমের রূপ ধরতে পারে। মুসলিম ধর্মে এই জিনদের কথা বলা হয়েছে। ওদের নিজস্ব জগত আছে, যে জগতে মানুষের প্রবেশ নিষেধ, তবে ওরা মানুষকে সঙ্গে করে তাদের জগতে নিয়ে যেতে পারে।
এই আধুনিক যুগে বিজ্ঞানমনস্ক মানুষরা ভূতের ভয়ের কথা শুনে স্বীকার করতে চায় না। মুখে বলে এসব ভ্রান্তধারণা, দুর্বল মনের পরিচয়। আবার এই মানুষরাই রাতের অন্ধকারে ভয়ের সিনেমা, ভয়ের গল্প পড়ে খুবই ভয় পায়। মানুষ বদলায়, সময় বদলায়, কিন্তু ভয় বদলায় না, ও চিরন্তন সত্য হয়েই মানুষের মনের মধ্যে গেঁথে থাকে।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""