"কবি পরিচিতি, নেহাৎ দিতেই হবে বলেছে, তাই অগত্যা লিখছি। জন্ম এই কলকাতাতেই, শীতকালে, নভেম্বরের গোড়ায়, ভারত তখন প্রথম ওয়ার্ল্ড কাপ জিতেছে, চারিদিকে বেশ একটা গর্বিত খুশি খুশি ভাব। পড়াশুনো? সল্টলেকের সবচে পুরোনো যে ইস্কুলটা আছে না? সেইখানেই। আরে না না, সল্টলেকে নয়, নর্থ কলকাতায় থাকি তো। ওই যে, যেখানে খুব ভালো কাটলেট পাওয়া যায়। পৈতৃক ভিটে আর কি, প্রায় দেড়শো বছরের বাসিন্দা
বেআইনী রুখতে, আইনের সওদাগরী করি, তাতেই একরকম নেয়ে খেয়ে চলে যায় বলতে পারেন। এছাড়া, শখের কথা বলতে বসলে তো দাদা রাত কাবার হয়ে সুয্যিই উঠে যাবে। লেখালিখি করে থাকি, গানবাজনা ভালোবাসি, টুকটাক এটা ওটা সংগ্রহ করে বেড়াই, এই যেমন ধরুন, আকবরের দুয়ানি, কণিষ্কের ড্রাকম, উৎপল দত্ত মশাইয়ের সই, এইরকম সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, আর কি!
ঠাকুমা, বিরানব্বুই- ঊর্ধ্বা শ্রীমতি কল্যাণী ভট্টাচার্য্য পিঠেপুলি-নিমকি-মাছের কচুরী খাইয়ে পেটুকশ্রেষ্ঠ করেছেন, বাবা, শ্রী সুগত ভট্টাচার্য্য অনেক কানটান মুলে লেখাপড়া শিখিয়েছেন, মা শ্রীমতি সোমা ভট্টাচার্য্য, আমার সবরকম গল্প, কবিতা, উৎকণ্ঠা, স্বপ্নের সঙ্গী, যিনি প্রচুর চেষ্টাচরিত্র করে আমায় বড়ো করেছেন, আর যাতে বিবাগী হয়ে পথেঘাটে না ঘুরে মরি, সেইটে নিশ্চিত করতে স্ত্রী, শ্রীমতি দেবরূপা ভট্টাচার্য্য নেহাতই ভারি করুণা করে আমাকে বিয়ে করে ফেলেছেন। একমাত্র সন্তান, বৌধরূপা ভট্টাচার্য্য, বাড়ির সাড়ে চারহাজার বই যাতে বেওয়ারিশ না হয়ে পড়ে, সেইদিকটা খেয়াল রাখছে।"
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""