সুপ্রিয়বাবুর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ পরিচয় নেই। যে সময়টাকে তিনি স্মৃতির আঁচড়ে এখানে তুলে ধরেছেন সেই সময়টার সঙ্গেও আমার পরিচয় তাঁর মতো এত প্রত্যক্ষ ও গভীর নয়। সময়ের নিরিখে আমি পরবর্তী প্রজন্মের। আর স্থানের হিসেবে আমার সেই সময়টা কেটেছে কলকাতা থেকে বহু দূরে সুদূর আলিপুরদুয়ার জংশনের রেলওয়ে পরিমণ্ডলে। তবু আমার নিজের উত্তরবঙ্গের সেই সময়ের স্মৃতি দিয়েও মনে হয় ষাটের দশকের শেষ আর সত্তরের গোড়ার উত্তর কলকাতার এই টুকরো ছবিগুলোকে অবশ্যই কিছুটা চিনতে পারি।
কিন্তু সত্তর তো শুধু ফিকে হয়ে আসা স্মৃতি নয়, আজকের এই বিপন্ন সময়ে এক জরুরী স্পর্ধা, এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার। সুপ্রিয়বাবুর এই টুকরো ছবিগুলো কোথাও যেন সেই স্পর্ধাকে উস্কে দেয়। পঞ্চাশ বছর আগের স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে আজ সেটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।
নকশালবাড়ি চীন বা ভিয়েতনাম বা কিউবা থেকে রপ্তানি করে আনা কোন কৃত্রিম বিপ্লবী মডেল ছিল না। তেভাগা ও খাদ্য আন্দোলনের মাটিতে লালিত কৃষিবিপ্লবের নতুন ফসল ছিল নকশালবাড়ি। সেই সময়ের অদম্য পরিবর্তনকারী আকাঙ্ক্ষা ও বিপ্লবী সম্ভাবনা দানা বেঁধেছিল নকশালবাড়ির কৃষক জাগরণে। আর তাই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল শুধু বাংলা নয়, গোটা দেশ
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""