কঠীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু বিশ্বকবিই নয়, উরি বিশ্বভারতীর এষ্টা। সায়ান্টিক দায়বন্ধরা। ররি মতো ছিল অপরিসীম। তাঁর প্রাসাগুলোই বাঙালী সমান্তে পাড়ে খুলেছে এন্ড সনদলীল সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতির আঙ্গিনায় প্রবেশ করার সঙ্গেই যঙ্গ যা কিছু সব দূরে সরে যায়। কারিত জানার
মায়া ডুব দিয়ে সেই সংস্কৃতির সঙ্গে ওঠে শুলাম প্রেম। কবিপদের কবিতা ছোট গল্প, পশু, উপন্যাস নাটক, গ্রাবন্তু এই সাফও প্রয়ো স্থালিয়েও বান্ডারিীর মনে, বাঙালির প্রহল ভাঁজশয়ান স্থান করে নিয়েছে তাঁর গান। তাঁর সাজানো কথা যথন সুরের যুদ্ধর্ণার সঙ্গে নিষ্ঠার কষ্টে আনিক হয় জথান ঘনের কোনে একটা আলাদা আবেশ তৈরী হয়। সে আরেণ পার্কির আরেণ। যে আবেশ সৃষ্টির আবেশ, যেগ নতুন করে কিছু পাওয়ার উদ্যোম। এই করি পার্মটি আমার জীবন ভীষণ প্রিয়।
প্রথমে ভাল লাগল রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুর। তারপর একটু একটু করে কথার অর্থ বোকার সময় হল তথান তাঁর সৃষ্টি আমাকে আপ্লুত করল। রবীন্দ্রসংগীর শুনতে ভালবাসি, এই নিয়ে আলোলো করতেও ভাললাগে। আর গাঁইয়েও খুব ইচ্ছে করে। কিন্তু সে রাল আমার জন্য একেবারে বন্ধ। নিজে গুনগুন করলেও তা অন্যকে শোনানোর মত নয়। নেই সোক্ষেপ মেটবারটি আরও বেশি বেশি করে শুনতে লাগলায় করিগুচের গান। শেষে আমার বাড়ির কারেই পেতে গেলাম কয়েকজন সই। তাঁরা সবাই গান করতে পারেন। একটা পান স্থালিপি মেনে গলায় ভোলা, হারমোনিয়ামের সঙ্গে তার সংযোগ ঘটাবো এগুলো আমি খুবি উপভোগ করার লাগলাম। প্রত্যেক সপ্তাহের বুধ সন্ধ্যাগুলো আমার কাছে হয়ে উঠল দারুন আক্রানিীয়। তাদের গান শুনতে শুনতে আমার মাথায় এল এই গানগুলো রচনার পেছনে উৎস কী? কোন বয়সে লিখেছেন এইসব গান? আর সেই উৎসের সন্ধানে ছুটতে গিয়ে কবি নিজের কথায় বা শুন্য কারো কথায় উঠে এল নানা গল্প। এই প্রসঙ্গে একজন সই এর নাম বলহারই হয় কারণ তাকে আমি অনেক বেশি জ্বালাতন করেছি, কোন সময়েই বিরক্ত প্রকাশ করেনি তরং আমাকে উৎসাহিত করেছে নানাভাবে, আমাদের পাড়ার সান্তনি (সান্ত্বনা পাল)।
আগেই বলেছি, আমি তো গাইতে পারি না, তাই ওরা গান শুরু করার আগে আমি সেই গানের গল্পটা বলতে লাগলাম। এখনই কয়েকজনের কাছ থেকে পরামর্শ পেলাম তুমি যথ এগুলো জেনেছ তখন লিখছো না কেন? ভালবাসার জিনিস যে পড়াশুনার মতো, খাতায় লিপিবদ্ধ করা যায়, এই ভাবনাটাই এর আগে মাথায় আসেনি। বঁই কাগজ, কলম নিয়ে বসে পড়লাম। গল্পে গল্পে খাতার-পাতা ভরে যেতে লাগল।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""