কাহিনির শুরু তেরো শতকের দ্বিতীয় দশকে তৎকালীন খোরাসান দেশের ঐতিহ্যময় নগর নিশাপুরের লাগোয়া পুযান গ্রামে। খোরাসানের পাহাড়ী পাথরে পাওয়া যায় নীলকান্তমণি, আফরোজা যার রং আসমানি নীল। পুষানগ্রামে এমন এক ঘটনা ঘটে যার ফলে ইচ্ছা না থাকলেও চেঙ্গিস খান আক্রমন করলেন খোরাসান।
ধ্বংস হতে লাগল একের পর এক রেশম বাণিজ্য নগরী বোখারা, সমরখন্দ, হিরাট, মার্ভ, নিশাপুর। এদিকে হিন্দুস্তানের চার তরুণ বাড়ি থেকে পালিয়ে রওনা দিল বাণিজ্য নগরী আল-বসরাহ। মোঙ্গল হামলায় বিধ্বস্ত নগরীগুলোর দিকে বেপরোয়া ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তারা। চলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে
পরিবর্তিত হচ্ছে তাদের।
নিজেদের সম্পর্কের ধারা। সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লক্ষণাবতীর দুই তরুণের প্রেম ও পরিণতি।
প্রতিটি জীবন যেন পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। দিল্লির সুলতান তখন ইলতুতমিস। কন্যা রাজিয়া রাজকাজে দক্ষ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি খোরাসান, ইস্পাহান, তুর্ক দেশ থেকে পালিয়ে আসা সুফীর দল দিল্লিকে বেছে নিয়েছেন তাদের নিশ্চিন্ত সাধনার স্থান হিসাবে। তেরো শতাব্দীর প্রথম দিকে মাত্র আট দশ বছরের মধ্যে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল, একটা দেশ। যুদ্ধ, হিংসার পরিণতি হলেও তার পরতে পরতে মিশে থাকে জীবনের অন্যরকম স্বাদ যার থেকে জন্ম নেয় এক অনন্য দর্শন।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""