বর্তমান গ্রন্থে কবি জয়দেবের প্রতিভা ও প্রভাবকে দুটি রাজ্যের সাধ্যে গতীরভাবে অনুসন্ধানের চেষ্টা করা হয়েছে। এই গ্রন্থরচনার প্রেরণ্য স্বরুপ দেলস্যে আছেন সুই দিকপাল বিদগ্ধ পণ্ডিত বিষ্ণুপদ পাণ্ডা ও কেরাচরণ মহাপাত্র। একজন অধ্যাপক, অন্যজন গুড়িশা রাজ্য প্রদর্শশালার অধ্যক্ষ। সেই ছাত্রজীবন থেকেই উভয়ের সান্নিধ্যলাভে আমার মনে জয়দেব-সম্পকে কৌতূহলের সূত্রপাত। যদিও আজ সু'জনে প্রয়াত। অমৃতলোকে তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি। বর্তমান প্রন্থের সর্বত্র তাদের ঋণের কথা অকপটে স্বীকার করি।
অধ্যাপক হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় রচিত 'কবি জয়দেব ও শ্রীগীতগোবিন্দ নিঃসন্দেহে একটি তথ্যসমৃদ্ধ ও পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। তবে ওড়িশার বিভিন্ন মন্দির বা স্থানে প্রাপ্ত শিলালেখে কবি জয়দেব ও তাঁর গীতগোবিন্দের উল্লেখ এই গ্রন্থটিতে প্রায় নেই বললেই চলে। বিশেষ করে প্রাচী তীরবর্তী কেঁদুলির নামোল্লেখ এই গ্রন্থে না থাকাটা বিস্ময়কর।
প্রাচীকূলের কেঁদুলির অস্তিত্ব ও ঐতিহ্যকে আমরা যথাসম্ভব তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। বাংলা সাহিত্যের কোনো কোনো গ্রন্থে এ স্থানের উল্লেখ থাকলেও বিশদ বিবরণ নেই। উৎসাহী পাঠক (অন্তত যাঁরা পুরী-কোণারক দর্শনে আসেন) একবার 'জয়দেব পীঠ' বেড়াতে এলে তাঁদের মনের অনেক সংশয় দূর হবার সম্ভাবনা আছে। কেঁদুলি কোণারক থেকে বেশি দূরে নয়।
Customers' review
Reviews
Be the first to review ""